
জামায়াতের নির্বাচনী সাফল্য কতটা টেকসই হবে
বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট যে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না।

বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট যে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না।

শবে বরাত ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দীর্ঘ সরকারি ছুটি থাকায় সময় বাড়িয়েছে এনবিআর।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক হয়েছে গতকাল রোববার।

বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য বিবেচনায় রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

এই টেলিফোনালাপ নতুন সরকার গঠনের পর বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল মঙ্গলবার দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের পর চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মী এবং তাঁদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুধু চট্টগ্রাম-৮ নয়, চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।

ইসলামপন্থীরা সবচেয়ে কম আসন পায় ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন দুটি ইসলামপন্থী বড় দলগুলো বর্জন করে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয় লাভের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে বিভাজন কাটিয়ে জাতীয় ঐক্য ও পুনর্গঠনের বার্তা দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-১৪ আসন (চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার একাংশ) দীর্ঘদিন ধরেই কর্নেল (অব.) অলি আহমদের রাজনৈতিক ‘প্রভাবের’ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই রাজনীতিবিদের নাম আসনটির সঙ্গে সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্থানীয় ভোটের অঙ্কে তাঁর ব্যক্তিগত ‘প্রভাব’ ছিল নির্ধারক।

খুলনা-১ আসনে জয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান। খুলনা-৫ আসনে বিসিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগার জয়ী হয়েছেন।