
বনলতা সেন ও মালয় সাগর
‘বনলতা সেন’ কবিতার অন্তর্জালিক সংস্করণের তিনটিতে অনুবাদকদের সবাই কথককে মলয় উপদ্বীপের দূরবর্তী জলসীমায় সঠিকভাবেই স্থাপন করেছেন।

‘বনলতা সেন’ কবিতার অন্তর্জালিক সংস্করণের তিনটিতে অনুবাদকদের সবাই কথককে মলয় উপদ্বীপের দূরবর্তী জলসীমায় সঠিকভাবেই স্থাপন করেছেন।

‘ববিতা আমাদের অভিনয়শিল্পের পাওয়ার হাউস। তাঁর কাছ থেকে আমরা শিখেছি অভিনয় কীভাবে শিল্প হয়ে ওঠে, শিল্পীর ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্য।’

আপন মনে কবিতার বীজ বুনছি। হঠাৎ দেখলাম আমার ফোনে তাঁর কল এল। তার বলতে ‘ইরা’। ভারি বুদ্ধিমতী আর রাগী মেয়ে।

কিছু সত্য ঘটনা উপজীব্য করে, সত্য ও কাল্পনিক জগতের ভিয়েনে এই নস্টালজিক স্মৃতির শহরে কবিদের জীবনের গল্প লেখা হয়েছে সম্রাট ও প্রতিদ্বন্দ্বীগণ উপন্যাসে।

কর্মজীবনের মধ্য পথে হঠাৎ খেয়াল হলো নামের আগে একটা ‘ডক্টর’ লাগালে ভালো দেখাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হয়ে গেলাম।

শুধু রাজনৈতিক কবিতার মধ্যে লিভারটভের সুনাম সীমাবদ্ধ থাকেনি; কবিতার আঙ্গিক নিয়ে তাঁর ‘অর্গানিক ফর্ম’ তত্ত্বটি আজও বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়।

আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’

তিনি ছিলেন সেই বিরল প্রতিভাদের একজন, যাঁরা স্লোগানসর্বস্ব, কোলাহলপূর্ণ কবিতার যুগেও মিতভাষী, শান্ত অথচ গভীর জীবনবোধের স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন রেখেছিলেন।

গানের সুর, কবিতার ছন্দ ও দৃপ্ত কথামালায় আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আক্রমণের প্রতিবাদ জানানো হলো গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছায়ানট সংস্কৃতি–ভবন মিলনায়তনে।

এই বিভাজন কেন? কেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবিতায় আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ উপন্যাসে ধরা পড়ল?

নাজিম হিকমতের একেকটা কবিতার লাইন আমাকে একেকটা আলাদা জীবন দান করেছে। আমি কী করে যে তাঁর সামনে যাই! তাঁর প্রিয় কে জানি না, আমার প্রিয়তম তিনি।

এই বইমেলা গতানুগতিক ধাঁচের বইয়ের নয়। নেই গল্প–উপন্যাস–কবিতার সম্ভার। এই মেলা যুক্তি, তর্ক, বিচার, বিশ্লেষণের বই নিয়ে। নাম ‘নন-ফিকশন বইমেলা।’