
বিশ্বকাপ এলেই ঢাকায় আসেন পতাকা বেচতে
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাসিন্দা কাজী সুমনের সঙ্গে গতকাল বুধবার বিকেলে দেখা হয় মিরপুর ১১ নম্বরের লালমাটি এলাকায়।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাসিন্দা কাজী সুমনের সঙ্গে গতকাল বুধবার বিকেলে দেখা হয় মিরপুর ১১ নম্বরের লালমাটি এলাকায়।

পরদিন তিনি ওয়াহিদুল গনিকে সঙ্গে করে নড়াইল গেলেন। অনেক খুঁজে পেতে জাহান ভূ-চিত্রাবলী আর কত দেশ, কত দিগন্ত কিনলেন। ওয়াহিদুল গনি অকৃতদার, তদুপরি বিশ্বপর্যটক। শীতের মৌসুমে সাইকেল নিয়ে নড়াইল নয়তো দৌলতপুর চলে যান। যখন ফিরে আসেন, বাবলুর জন্য কত কী যে নিয়ে আসেন—পেন্সিল শার্পনার, স্ট্যাপলার, কলম। ছেলেটির আবার এসব জিনিসে দারুণ শখ। বাবলু—আবুল কালামের ছেলে—বাবাকে বলে, বাবা, তুমি যখন নড়াইল-টড়াইল যাও, গনি চাচার সঙ্গে যাবে, আর কারও সঙ্গে না। ব্যস। বুঝেছো?

আমার ঘটনাটি অবশ্য ভিন্ন। প্রায় মধ্য–আশি বয়সী হলেও ঘুমকাতুরে ভাবটি শারীরিকভাবে রয়ে গেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হওয়ার আগে বাংলাদেশের অনলাইন জার্সির বাজার জমে উঠেছে। দোকানের পাশাপাশি ফেসবুক পেজ, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম আর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপজুড়ে চলছে জার্সি কেনাবেচা।

আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও ইংল্যান্ড—তিন দলই পড়েছে সূচির একই অর্ধে। যার মানে ফাইনালে আগেই দেখা হয়ে যেতে পারে তাদের।

আজকে যে গোটা বিশ্বে ব্রাজিলের এত এত সমর্থক, এর শুরুর তারিখটা ছিল জুন মাসের ২৯তম দিন, সাল ১৯৫৮।

ব্যক্তিগতভাবে আমি ব্রাজিলের সমর্থক। তবে মাঠের লড়াইয়ে যুক্তি দিয়ে কৌশল বিশ্লেষণ করাই একজন পেশাদার কোচের কাজ।

তবে এবার চাই পর্তুগাল জিতুক। এত বড় খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, তাঁর হাতে বিশ্বকাপ না দেখতে পারলে আমার কষ্ট লাগবে।

ফেসবুকে ব্রাজিল সমর্থক তারকাদের পোস্ট যেমন নজর কেড়েছে, তেমনি আর্জেন্টিনার সমর্থকেরাও পাল্টা উত্তরে পিছিয়ে নেই।

গত শতাব্দীর শুরুর দিকে যে পথে জাপানিরা ব্রাজিলে গিয়েছিল, নব্বইয়ের দশকে ঠিক উল্টো পথে হাঁটা শুরু করেন তাঁদের বংশধরেরা। কারণটাও স্পষ্ট।

চলতি মৌসুমে আপনি ‘ব্রাজিল’ হোন আর ‘আর্জেন্টিনা’, সারা বছর আপনি বাংলাদেশি। অতিথি আপ্যায়ন, ভূরিভোজ, আড্ডা, উত্তেজনা আর উচ্ছ্বাসে ‘ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা’ হয়ে যাক ভাই ভাই।

বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ভেন্যুটি এখন প্রশ্নের মুখে। মাঠের মান নিয়ে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানিয়েছেন ব্রাজিল ও ফ্রান্সের খেলোয়াড়–কোচরা।