
শরীয়তপুরে বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ
শরীয়তপুরের দুটি সংসদীয় আসনে বিএনপির স্থানীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শরীয়তপুরের দুটি সংসদীয় আসনে বিএনপির স্থানীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন চার শতাধিক নেতা-কর্মী। গতকাল বুধবার রাতে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। খুব স্বাভাবিকভাবেই সেই নির্বাচনে দলটির বড় বিজয় পাওয়াটা নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু দলটির নেতা-কর্মীদের কারচুপি, অনিয়মের কারণে নির্বাচনটি বিতর্কিত হয়।

নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির নিয়োগীর উপস্থিতিতে বিএনপির সমর্থকদের গলা কেটে নেওয়ার হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

জেলার তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন ২৩ জন। যাচাই-বাছাইয়ে ছয়জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। পাঁচজনই প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

সিলেটে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির প্রার্থীরা বেশি সম্পদশালী। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ—সব দিক দিয়েই তাঁরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন।

জামায়াতের নির্বাচনী জোটে যুক্ত হয়ে এনসিপি কী লাভ করবে, অন্তত আসন পাওয়ার দিক থেকে, তা বোঝার জন্য নির্বাচনের ফলাফল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নানা কারণেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বছরের শেষ এই মাসটি যেন নতুন বছরে রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সূচনাবিন্দু হয়ে উঠেছে।

শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় মূল লড়াইটি হবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে।

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির রেজাউল করিম ৭৬ হাজার ৭৭২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৬ ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়েছেন। দুই আসনেই জামায়াত অভিযোগ তুলেছে এবং ভোট বর্জন করেছে।

ভোলা সদর উপজেলার ওয়েস্টার্ন পাড়ায় জামায়াতের উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্যদের শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

দেশের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ লোক শহরে বা পৌর এলাকায় বাস করে। তারাই দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি আর সংস্কৃতি ঠিক করে দেয়।