
হজে যাওয়ার পূর্বে হজযাত্রীদের করণীয়
হজে যাওয়ার আগে নিজের অন্তরকে যাচাই করা আবশ্যক যে আমি কি সত্যিই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজে যাচ্ছি, নাকি সমাজে ‘হাজি’ উপাধি পাওয়ার জন্য।

হজে যাওয়ার আগে নিজের অন্তরকে যাচাই করা আবশ্যক যে আমি কি সত্যিই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজে যাচ্ছি, নাকি সমাজে ‘হাজি’ উপাধি পাওয়ার জন্য।

রাসুলের জীবনে জিলকদ মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। হাদিস থেকে জানা যায়, তিনি যে ওমহরাহগুলো আদায় করেছেন, সেগুলোর অধিকাংশই এই মাসে সম্পন্ন হয়েছে।

যাঁদের আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য রয়েছে, তাঁদের জন্য হজ আদায়ে গড়িমসি করা গুনাহের কারণ হতে পারে। বার্ধক্য কিংবা অসুস্থতা আসার আগেই হজ করা উচিত।

সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মানবজাতির জন্য আল্লাহ কেবল কিতাব পাঠাননি; বরং বাস্তব রূপ হিসেবে একজন পূর্ণাঙ্গ আদর্শ মানুষও পাঠিয়েছেন। সেই আদর্শকে অনুসরণ করলেই সফলতা অর্জন সম্ভব।

স্বপ্নে দেখেন, কেউ তাঁকে জ্ঞানান্বেষণের নির্দেশনা দিচ্ছে। জানতে চান, কোথায় গেলে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। তাঁকে মক্কার দিকে ইশারা করে দেখিয়ে নির্দেশদাতা অদৃশ্য হয়ে যান।

আপনি মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন; দুই টুকরো সেলাইবিহীন কাপড় পরে, ঠিক যেমন মৃত্যুর পর কেয়ামতের দিন বান্দারা আল্লাহর সামনে দাঁড়াবেন।

ফাতেমার সুখ্যাতি তুর্কিস্তানে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন অনেক রাজা–রাজন্য এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ফাতেমার পাণিপ্রার্থী হয়ে দূত পাঠান। কিন্তু পিতা সমরকন্দি সবিনয়ে সবার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

রাসুল (সা.) বলেছেন, তিনি তাঁর উম্মতের জন্য সবচেয়ে বেশি ভয় পান ছোট শিরক—বিশেষ করে ‘রিয়া’কে (লোকদেখানো ইবাদত)। কারণ, এটি মানুষের অন্তরকে ধ্বংস করে দেয়।

অষ্টম শতাব্দীর বসরায় জন্মগ্রহণকারী হযরত রাবেয়া বসরি দারিদ্র্য ও দাসত্ব সত্ত্বেও খোদাপ্রেমের ‘হুব্ব’-ভিত্তিক দর্শন প্রচার করেন। তাঁর জীবন সুফিবাদে প্রেমের নতুন মাত্রা যোগ করে। এই প্রতিবেদনে তাঁর জীবন ও শিক্ষার বিবরণ পাওয়া যাবে।

ইসলামে সময়কে ঘড়ির কাঁটায় নয়, আমলের ওজনে মাপা হয়। নিয়তের ইখলাসে প্রতি মুহূর্ত ভারী হয়। নামাজ, রোজা, হজের মাধ্যমে জীবনের ওজন বাড়ানোর পথ দেখানো হয়েছে কুরআন-হাদিসে।

জীবনের প্রকৃত সফলতা কী? কোরআনের আলোকে অন্তরের পরিশুদ্ধি, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভের পথ দেখানো হয়েছে। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী মোহ থেকে মুক্ত হয়ে আখেরাতের চিরস্থায়ী সফলতা অর্জনের শিক্ষা।