
যুদ্ধ এখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে
ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধে জড়িয়েছে হিজবুল্লাহ। সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের ঘাঁটিতে ইরানের হামলা।

ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধে জড়িয়েছে হিজবুল্লাহ। সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের ঘাঁটিতে ইরানের হামলা।

যুদ্ধের বিস্তার এবং আমেরিকান ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় গতকাল ৩৯ জন নিহত হয়েছেন, শিশুসহ। দক্ষিণাঞ্চলের সাকসাকিয়েহ শহরে সাতজন নিহতের মধ্যে এক শিশু ছিল। ইসরায়েল হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলার কথা স্বীকার করেছে।

কয়েক বছর আগে অনেক আরব দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হয়তো ইরানে হামলা চালিয়ে সেখানকার শাসন পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইতিবাচকভাবে দেখত।

এসকোবারের অভিযোগ, কথিত এ হত্যাচেষ্টার চক্রান্তের পর পাকিস্তান নাকি তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল, তাদের প্রতিনিধিদলের ওপর কোনো হামলা হলে তার চরম জবাব দেওয়া হবে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে মধ্যস্থতা করতে পাকিস্তান চাপে পড়েছে। ইসরায়েলের বেসামরিক হামলা ও মার্কিন সেনা মোতায়েনের মধ্যে পাকিস্তান শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করা যাবে কোনো চুক্তি ছাড়াই। কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে নতুন হামলা হয়েছে। ট্রাম্প জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

ট্রাম্প ইসরায়েলকে এমন সুযোগও দেন, যাতে তারা পুরো অঞ্চলে নির্বিচার সামরিক অভিযান চালাতে পারে। গত বছর মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ছয়টি আরব দেশে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়।

ইসরায়েলে যুদ্ধের প্রতি সমর্থন কমছে, বিশেষ করে ইহুদিদের মধ্যে। জরিপে দেখা গেছে, দ্রুত যুদ্ধবিরতির দাবি বাড়ছে এবং ইরানের শাসন উৎখাতের আশা কমেছে। জনগণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও দীর্ঘ যুদ্ধে ক্লান্ত।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম আতঙ্কে আছেন প্রবাসী আহমেদ উল্লা। মঙ্গলবার মুঠোফোনে তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথম যেদিন কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়, সেদিন থেকেই আমরা চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

ইরানে গত শুক্রবার মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে একজন ক্রু পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে এক দিনের বেশি সময় টিকে ছিলেন। মার্কিন কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন, যাতে সিআইএ এবং ইসরায়েল সহযোগিতা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যোদ্ধাকে সাহসী বলে সম্মান জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।