
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মোট আসামি ৪৫৭ জন, গ্রেপ্তার ১৬১
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম ও খুন এবং জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম ও খুন এবং জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ।

দ্বিতীয় দিনের জবানবন্দিতে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেছেন, অনেকেই ভাবছেন, আমি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি।

নেত্র নিউজ জানায়, এই শুটাররা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর ও নুরুল আজিম রনির পরিচিত ও প্রমানিত অনুসারী। অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, বাবর নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের একটি মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। ভিডিও ও অন্যান্য প্রমাণে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, গুলিতে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো বাবরের এক সহযোগীর মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছিল। এই লেখার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো—নেত্র নিউজের অনুসন্ধানে বলা হয়, হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর ও নুরুল আজিম রনি ছিলেন মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের ‘সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ তৃণমূল সহযোগীদের’ মধ্যে দুজন।

এই মামলার আসামি মোট ১৬ জন।

পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।

সাবেক দুই আইজিপি হলেন এ কে এম শহীদুল হক ও মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

মামলার আসামিদের মধ্যে চারজন পলাতক। তাঁরা হলেন হাবিবুর, সুদীপ, আখতারুল ও ইমরুল।

আবদুল্লাহিল আমান আযমী জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত গোলাম আযমের ছেলে।

গৌরীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোমনাথসহ নয়জন আসামি।

সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ১৬ জন এই মামলার আসামি। আসামিদের মধ্যে আটজন গ্রেপ্তার আছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে মামলা।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে আপিল করেছে প্রসিকিউশন।