
চারটি প্রশ্নে ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট
সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করলেও ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে বামপন্থী ৯টি দলের জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।

সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করলেও ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে বামপন্থী ৯টি দলের জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।

সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন–সংক্রান্ত গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।

নিঃসন্দেহে জুলাই সনদ ফ্যাসিবাদ দূরীকরণে আওয়ামী লীগ ছাড়া সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবিত এযাবৎকালের বড় প্রেসক্রিপশন। যেটি বাস্তবায়নে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গোলাপি ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ গণভোটের মাধ্যমে পাবলিক ম্যান্ডেট নেওয়া হবে।

প্রথম আলো প্রকাশের আগে আমাদেরও একটা ঐকমত্য সনদ তৈরি হয়েছিল।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ১০০ দিন অতিক্রম করেছে। যেকোনো নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিন সাধারণত তার রাজনৈতিক অগ্রাধিকার, শাসনদর্শন, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ সংস্কার-রূপরেখা বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।

একটি আইনসম্মত ও সনদপ্রাপ্ত শিল্পকর্মের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করতে সেখানে সুকৌশলে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক আবেগকে ব্যবহার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রের দুর্নীতি ও ক্ষমতার মসনদে বসা রাজনৈতিক নেতাদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সব সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার তিনি।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে জাল সনদের প্রমাণ পাওয়ায় দেশের ১১৪ জন মাদ্রাসাশিক্ষকের এমপিও–সুবিধা বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আসামে বিজেপিই থাকল, তবে আরও শক্তিশালী হয়ে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে মসনদ টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আবার সফল হলো ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট।

বছরখানেক আগে ফেসবুকের একটি পোস্টের সূত্র ধরে ইনবক্সে একটি ছবি পেলাম—শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে স্টিকার লাগানো ‘কওমি সনদের সত্যায়ন করা হয় না’।

বিএনপি বারবার বলছে, তারা সংস্কারের বিরোধী নয়; বরং আপত্তি তাদের সংস্কার বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে। বাস্তবে দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক সংস্কার প্রস্তাবেই পদ্ধতিগত দুর্বলতা ও বিতর্ক রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, জুলাই সনদের আওতায় ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবকে মাত্র চারটি প্রশ্নে গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ সংসদে এনসিপিকে ‘জামায়াত জেনারেশন’ এড়িয়ে জেন-জিকে প্রতিনিধিত্ব করার পরামর্শ দিয়েছেন। জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, সংবিধান বাতিলের প্রক্রিয়া এবং গণভোট নিয়ে তিনি তীব্র আপত্তি প্রকাশ করেছেন। ১৭ বছরের কষ্টের পর সংবিধান পরিবর্তনের পক্ষে তার মতামত।