
ইরানে কি ট্রাম্প হেরে যাচ্ছেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হয়তো প্রতিটি লড়াইয়ে জিতেছেন। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে হামলার তিন মাস গড়ানোর পর তিনি এখন বড় এক প্রশ্নের মুখে। সেটি হলো, তিনি কি আসলে যুদ্ধে হারছেন?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হয়তো প্রতিটি লড়াইয়ে জিতেছেন। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে হামলার তিন মাস গড়ানোর পর তিনি এখন বড় এক প্রশ্নের মুখে। সেটি হলো, তিনি কি আসলে যুদ্ধে হারছেন?

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির পর বাংলাদেশে জেট ফুয়েলের দাম কমেছে।

সংযুক্ত আবর আমিরাতের ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়টাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালি বন্ধ, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং যুদ্ধপরিস্থিতির কোনো সমাধান না থাকায় উপসাগরের সব তেল উৎপাদকই এখন চাপে আছে।

যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি; যদিও ইউরেনিয়ামের মজুত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল বিরোধগুলো এখনো কাটেনি।

তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অস্ত্র আপাতত বিক্রি করছে না যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য গোলাবারুদের মজুত ধরে রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে ইরান। এমনকি গত এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতির মধ্যে ড্রোন বানানোও শুরু করে দিয়েছে। এমন খবর পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি (১৫-২০ মে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ইতালিতে কূটনৈতিক সফর করেছেন। এক সফর ক্রমবর্ধমান খণ্ডবিখণ্ড বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থায় ভারতকে একটি প্রভাবশালী ক্রীড়নকে পরিণত করার একটি প্রচেষ্টা।

নিজেদের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে যেতে দেবে না ইরান।

ট্রাম্প নিজেও প্রশ্ন তুলেছেন, ‘সাড়ে নয় হাজার মাইল দূরে’ একটি যুদ্ধের জন্য আমেরিকানরা কেন লড়বে? এমনকি তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রিকেও তিনি ‘খুব ভালো দর-কষাকষির হাতিয়ার’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

ঈদুল আজহার আগে এই পবিত্র সময়ে ইরানে হামলা চালালে মুসলিম বিশ্বে ওয়াশিংটনের ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ট্রাম্পকে সতর্ক করা হয়।

বিস্ময়ের কথা, ইরানের এ সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর চরম কট্টরপন্থী, ইসরায়েলবিরোধী ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।