
‘গতর খাইটা সংসার চালাই, কারও কাছে হাত পাততে লজ্জা লাগে’
বাক্ ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে চাঁদপুরের মতলবে ঝালমুড়ি বিক্রি করে পরিবার চালাচ্ছেন সুভাষ চন্দ্র বর্মণ, তবু কারও কাছে হাত পাতেন না তিনি।

বাক্ ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে চাঁদপুরের মতলবে ঝালমুড়ি বিক্রি করে পরিবার চালাচ্ছেন সুভাষ চন্দ্র বর্মণ, তবু কারও কাছে হাত পাতেন না তিনি।

চট্টগ্রামে কোরবানির পশু কেনার ধরন এখন বদলে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও অধিকাংশ মানুষ নির্ভর করতেন সাগরিকা, বিবিরহাট কিংবা অস্থায়ী পশুর হাটের ওপর। এখন ধীরে ধীরে সেই জায়গা নিচ্ছে খামার। এর পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, খামারে ভিড় কম। কাদা, যানজট ও ঠেলাঠেলির ঝামেলা নেই। পরিবার নিয়ে গিয়ে নিশ্চিন্তে গরু দেখা যায়।

শহরে ৭০ শতাংশ পরিবার ফ্রিজ ব্যবহার করলেও গ্রামাঞ্চলে এই হার দ্রুত বেড়ে ৪৮ শতাংশ হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে মানসিক প্রতিবন্ধী ধারণা করে শিশু রিফাতকে এক বছর ধরে পায়ে শিকল বেঁধে রাখছে তার পরিবার। অর্থের অভাবে শিশুটির চিকিৎসাও বন্ধ।

২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পর সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগর এলাকার বহু মানুষ এখনো পানির বেড়িবাঁধে ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছে। ছয় বছর পরও প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবার তাদের ভিটেমাটিতে ফিরতে পারেনি।

কারও স্বভাব কি মূলত জিন বা ডিএনএর কারণে তৈরি হয়, নাকি পরিবার, সমাজ, শিক্ষা ও জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে গড়ে তোলে?

তামিম কোটচাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়ছে। জন্মের এক সপ্তাহ পরই তামিমের ডান পা ভেঙে যায়।

কুষ্টিয়ার মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে থেকে দেশে ফিরেছেন। পরিবার ফেসবুকে তাঁর সন্ধান পায়।

পরিবার, সহকর্মী, ভক্ত—সবাই অপেক্ষায় ছিলেন সুস্থ হয়ে ফেরার খবরের। কিন্তু সব আশা ভেঙে দিয়ে নিথর দেহে আজ রোববার দেশে ফিরেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে হামের উপসর্গে ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশের ছিল নিউমোনিয়া আর সময়মতো পিসিভি টিকা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পরিবার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছ থেকে।

দাদি খ্যাতনামা দাবাড়ু, বাবা খ্যাতিমান ফুটবলার; এই পরিবার থেকে কারিনা কায়সার তাঁর পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে। তবে অকালমৃত্যুর পর তিনি বেশি স্মৃত হচ্ছেন জুলাই অভ্যুত্থানের একজন কর্মী হিসেবে। আন্দোলনকারীদের ফেসবুক ওয়াল হয়ে উঠেছে এপিটাফ।

কারিনা কায়সার বলেছেন, তিনি কমেন্ট পড়েও দেখেন না। পরিবার থেকে পাওয়া ইতিবাচকতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যদি পজিটিভিটির ন্যাশনাল অ্যাম্বাসেডর হই, আব্বু তো ইন্টারন্যাশনাল অ্যাম্বাসেডর!’