
আপাতত বন্ধ হচ্ছে না তিন আর্থিক প্রতিষ্ঠান
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদ্মা সেতু: চালের দাম বৃদ্ধির কারণ?

উপদেষ্টা পরিষদ গত বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ অনুমোদন করেছে।

রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট, পবা, মোহনপুর ও তানোর উপজেলার গ্রামগুলোতে ঋণের জালে পিষ্ট হওয়া মানুষের যে হাহাকার উঠছে, তা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণে অব্যবস্থাপনা এবং ঋণসুবিধার অপব্যবহারকে আবারও সামনে এনেছে।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম ঋণখেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ও প্রকাশ না করা নিয়ে হাইকোর্ট।

প্রস্তাবিত এই ব্যাংকের অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত। এখন আছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করলেই জারি হবে অধ্যাদেশ।

ব্যবসায়ীরা এখন থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে এই গ্যাস আমদানির সুযোগ পাবেন।

সিডিএফের মতে, এনজিও চলবে এনজিওর মতো, যার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হবে এমআরএ এবং যে অংশটুকু ব্যাংকে স্থানান্তর হবে, সেটুকুর নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনোভাবেই দ্বৈত নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক পরিচালিত হবে না।

বিবৃতিতে বলা হয়, কীভাবে বিদ্যমান ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংকে রূপান্তরিত হবে, সে বিষয়ে অধ্যাদেশে কোনো সুস্পষ্ট, নির্দিষ্ট বা বাস্তবায়নযোগ্য রূপরেখা নেই।

অনেক গ্রামীণ নারী, যাঁরা একসময় ক্ষুদ্রঋণ গ্রুপের সদস্য ছিলেন, পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকারের সদস্য বা চেয়ারম্যান হয়ে সামাজিক নেতৃত্বেও নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক বড় শিল্পগোষ্ঠীর বৃহৎ ঋণের সীমা শিথিল করেছে। সরাসরি ঋণ ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ এবং নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের কনভার্সন ফ্যাক্টর কমিয়ে নতুন সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর বড় ঋণ বিতরণের সীমাও বেড়েছে।

গত দেড় দশকে দেশে নতুন ১৬টি ব্যাংক অনুমোদন পেয়েছে। সংসদে খোদ অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, এগুলোর বেশির ভাগই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কোনো সন্দেহ নেই, বাংলাদেশের মতো ছোট বাজারে এত বেশি ব্যাংক থাকায় আন্তব্যাংক প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ফলে অনেক ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ দিতে বাধ্য হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দ ঋণ ও অর্থ পাচারের সংস্কৃতি গড়ে ওঠায় অনেক ব্যাংকই এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছে।