
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কি আগ্রাসনের অভিযোগ আনা যাবে?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না।

ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েক দেশের ঘাঁটি থেকে সেনাদের সরিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানের একটি বড় অংশই ইরানের হামলার শিকার হয়েছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের সম্ভাব্য বিকল্প পথগুলোকে নিজেদের বিবেচনায় রেখেছিল। তবে গত বুধবার সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রথম সম্ভাব্য ব্রিফিংয়ের খবর প্রকাশ করে।

ফেরদৌসী ৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে তুস শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

ইরানে গত শুক্রবার মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে একজন ক্রু পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে এক দিনের বেশি সময় টিকে ছিলেন। মার্কিন কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন, যাতে সিআইএ এবং ইসরায়েল সহযোগিতা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যোদ্ধাকে সাহসী বলে সম্মান জানিয়েছেন।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে মার্কিন ‘ই-৩জি সেন্ট্রি’ নজরদারি উড়োজাহাজ ধ্বংস হয়েছে। এর ধ্বংসাবশেষের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যা তুরস্কের আনাদলু এজেন্সি প্রকাশ করেছে। হামলায় ১২-১৫ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।

গত বছর ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি নো কিংস বিক্ষোভ হয়েছে।

ইরানের আকাশসীমায় ওয়াশিংটন কেন একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারছে না, তার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা

‘কেপলার’-এর মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে এসেছে।