
ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই যুক্তরাষ্ট্রের: ট্রাম্প
ট্রাম্প জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে বৈঠক করার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই।

ট্রাম্প জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে বৈঠক করার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই।

মার্কো রুবিও জানান, মোজতবা খামেনির সব যোগাযোগ এ পর্যন্ত লিখিতভাবে ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে আলোচনা চললেও মার্কিন হামলা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ এসেছে। ট্রাম্প পুরোদমে সামরিক অভিযানের চিন্তা করছেন।

ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।

রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সায় চেয়েছে বাংলাদেশ।

বাবার হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা শঙ্কাও মোজতবার নীরব থাকার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে

১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল

ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়

মোজতবা খামেনির ওপর মার্কিন ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে

গতকাল ছিল যুদ্ধের চতুর্থ দিন। এদিনও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।