
মলঙ্গী বাড়ি: এক বিস্মৃত গণহত্যার কথা
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কবে এসেছিল আপনাদের গ্রামে? এই প্রশ্নের উত্তরে কেউ তারিখ বলতে পারে না।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কবে এসেছিল আপনাদের গ্রামে? এই প্রশ্নের উত্তরে কেউ তারিখ বলতে পারে না।

বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর শুধু সামরিক সংগ্রহশালা নয়, হয়ে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরব, সামরিক ইতিহাস এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন। বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধের ইতিহাসে জড়ানো নানা সামরিক উপাদান সেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে গুরুত্বের সঙ্গে।

একাত্তরে প্রথম প্রতিরোধ থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের নানা স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন স্থান পেয়েছে পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে। এসব স্মারক ও স্মৃতিচিহ্নের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে।

এক রাতে এত বিপুল গণহত্যার নজির ইতিহাসে বিরল। রাতটি ছিল কৃষ্ণপক্ষের ঘন অন্ধকার। ঢাকা সেনানিবাস থেকে গোপনে শ্বাপদের মতো বেরিয়ে আসে ট্যাংক আর সাঁজোয়া গাড়ির সারি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার কামাউরা এলাকায় নির্মিত ‘মৈত্রীস্তম্ভে’। মুক্তিযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মরণে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভ প্রকল্পের কাজ শেষ হয় ২০২৪ সালে। তবে এখনো এটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা আবার যাচাই চলছে জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভুয়া ব্যক্তিদের পর্যায়ক্রমে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

জামায়াতে ইসলামীর ১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নীলফামারীর সৈয়দপুরের গোলাহাটে একটি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। এটি নির্মিত হয়েছে ১৯৭১ সালে গোলাহাটিতে বিহারি ও পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত ৪৫০ জন হিন্দু ও মাড়োয়ারির স্মরণে; কিন্তু স্মৃতিস্তম্ভটি এখনো অসমাপ্ত। এর মতোই অসমাপ্ত এই গণহত্যার স্বীকৃতি।

গ্রন্থটির ব্যাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। যে সময়টিতে রক্তস্নাত নবীন রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। যদিও একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে এই সময় নিয়ে লেখকের রয়েছে গভীর আক্ষেপ।

কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ যেন চিরযৌবনের প্রতীক। ব্যক্তিজীবন, কবিতা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে বশ্যতার নিয়ম ও আধিপত্যবাদী দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বিদ্রোহ। বিট–প্রজন্মের নেতা ও ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী এই কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে। লিখেছিলেন তাঁর অমর কবিতা ‘যশোর রোডে সেপ্টেম্বর’। ৩ জুন এই কবির জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হলো।

কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ যেন চিরযৌবনের প্রতীক। ব্যক্তিজীবন, কবিতা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে বশ্যতার নিয়ম ও আধিপত্যবাদী দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বিদ্রোহ। বিট–প্রজন্মের নেতা ও ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী এই কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে। লিখেছিলেন তাঁর অমর কবিতা ‘যশোর রোডে সেপ্টেম্বর’। ৩ জুন এই কবির জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হলো।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধ তামাদি হতে দেবে না। ১৯৭১, ২০১৩ এবং ২০২৪-এর ঘটনাগুলোর বিচার নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বদ্ধপরিকর। শাপলা চত্বরের স্মৃতি সংসদের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।