
৪০-এর পরও রোজ ডিম খাওয়া কি নিরাপদ?
৪০ বছর পার হওয়া সত্ত্বেও রোজ একটা ডিম খাওয়া নিরাপদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিমের পুষ্টি সব বয়সের জন্য দরকারি এবং কোলেস্টেরলের ভয় অযথা। তবে নির্দিষ্ট রোগে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

৪০ বছর পার হওয়া সত্ত্বেও রোজ একটা ডিম খাওয়া নিরাপদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিমের পুষ্টি সব বয়সের জন্য দরকারি এবং কোলেস্টেরলের ভয় অযথা। তবে নির্দিষ্ট রোগে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আপনি কি নিজের জীবন বাজি ধরে প্রতিটা দিন পারফর্ম করেন? তাহলে এই লেখা আপনার অবশ্যই পড়া উচিত।

হার্টের রক্ত সরবরাহকারী প্রধান নালিগুলোর নাম করোনারি ধমনি। এই ধমনিগুলোতে ব্লক বা রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলেই করোনারি হৃদ্রোগ হয়।

সুস্থ থাকার জন্য ইফতারে বেগুনি-পেঁয়াজুর মতো পদ যে একেবারে বাদ দিতে হবে, তা নয়। মাঝে মাঝে এগুলো পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।

বংশগত হৃদ্রোগ আগেভাগে শনাক্তে নতুন ধরনের একটি ‘স্মার্ট টি-শার্ট’ উদ্ভাবনের কাজ চলছে যুক্তরাজ্যে।

যাঁদের হৃদ্রোগ বা রক্তসঞ্চালন–সংক্রান্ত সমস্যা আছে, তাঁদের অনেকের মনে প্রশ্ন, রোজা রেখে কীভাবে ওষুধ খাব এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম সামলাব?

আজ রোববার দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়।

ছোটদের মধ্যেও হৃদ্রোগ নেহাত কম নয়। ছোটদের হৃদ্রোগের বেশির ভাগই জন্মগত।

করোনারি ধমনিতে চর্বি জমা হৃদ্রোগের অন্যতম কারণ। রক্তে শর্করার মাত্রা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

এক বছর ধরে ছেলের আবার শ্বাস নিতে গেলে দম আটকে আসে। মাসে দুই থেকে তিনবার এটা হয়।

ঘুমের ধরন বিশ্লেষণ করে ডিমেনশিয়া, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে সক্ষম এআই মডেল তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষজ্ঞরা জানান, জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও নিয়মিত পরীক্ষা দিয়ে এ ঝুঁকি কমানো সম্ভব। রক্তচাপ ১৩০/৮০ এর নিচে রাখুন।