
ইরান যুদ্ধে হিজবুল্লাহ যেভাবে ‘ফিনিক্স পাখি’র মতো জেগে উঠল
২০০৬ সালের হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল যুদ্ধের অমীমাংসিত সমাপ্তি ঘটে। তবে সেই যুদ্ধ একটি দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা তৈরি করে দিয়েছিল।

২০০৬ সালের হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল যুদ্ধের অমীমাংসিত সমাপ্তি ঘটে। তবে সেই যুদ্ধ একটি দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা তৈরি করে দিয়েছিল।

লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১০ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন।

মাসের পর মাস যুদ্ধ, চাপ আর কূটনৈতিক নাটকীয়তার পর লেবানন কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘ইচ্ছাপত্রে’ প্রবেশ করেছে। এর প্রতিক্রিয়া আসতে দেরি হয়নি। লেবাননের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্ররা এই চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। রাস্তায় প্রতিবাদ হয়েছে, সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিটি হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের মূল সংঘাতের সমাধান করার পরিবর্তে উল্টো অচলাবস্থাকে আরও দীর্ঘায়িত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

হিজবুল্লাহর দাবি, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দেওয়া এক বিবৃতিতে এমনটা বলা হয়েছে।

লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার প্রথম পর্ব শুরু করতে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন।

গতকাল শুক্রবার লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ।

জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর পুনর্গঠনে ইরানি সম্পদ ব্যবহারের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে হামলা-পাল্টাহামলায় নাজুক যুদ্ধবিরতি আরও নাজুক হয়ে পড়ছে।