
‘একটা প্রাণ হলেও যাতে বাড়ি ফেরত নিতে পারি’
চট্টগ্রামে হালিশহরে একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনায় পরিবারের দগ্ধ নয়জনের মধ্যে বেঁচে থাকা তিন শিশু এখনো জানেন না তাদের মা–বাবা নেই।

চট্টগ্রামে হালিশহরে একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনায় পরিবারের দগ্ধ নয়জনের মধ্যে বেঁচে থাকা তিন শিশু এখনো জানেন না তাদের মা–বাবা নেই।

গত সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের হালিমা মঞ্জিল নামের একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ওই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বাসায় থাকা ৯ জন দগ্ধ হন। এর মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে তিনটি শিশু।

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের একটি বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোটর পার্টস ব্যবসায়ী শাখাওয়াত হোসেনের পর্তুগালপ্রবাসী ভাই সামির আহামেদের স্ত্রী আয়শা আক্তার (৩০) মারা যান। এ নিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা চারজনে দাঁড়াল।

চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু

চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরে বিস্ফোরণে ৯ জন দগ্ধ হওয়া ঘটনা এভাবেই বর্ণনা করছিলেন বেসরকারি কোম্পানির কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন। আজ সোমবার ভোরে হালিশহরের এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামের যে ভবনটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, তিনি ওই ভবনেরই বাসিন্দা। বেলা ১১টার দিকে সরেজমিন ভবনটিতে গিয়ে কথা হয় জসিম উদ্দিনের সঙ্গে।

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরে একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনেরই অবস্থা শঙ্কাজনক। তাই তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরে একটি বাসায় বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ নয়জন দগ্ধ হয়েছেন। আজ সোমবার ভোরে হালিশহরের এইচ ব্লকের এসি মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।