
হামে কেন এত শিশুমৃত্যু
সারা দেশের সরকারি হাসপাতালে ১ হাজার ৩৭২টি আইসিইউ শয্যা আছে। সব শয্যা শিশুদের ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়।

সারা দেশের সরকারি হাসপাতালে ১ হাজার ৩৭২টি আইসিইউ শয্যা আছে। সব শয্যা শিশুদের ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়।

বাংলাদেশে হামে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর হামে মৃত্যু নিশ্চিত এবং ২০৫ শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

সীমান্ত হত্যা, হামে শিশুমৃত্যু ও সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সোমবার ঢাবিতে মানববন্ধন করে। নেতারা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে সরকারের পররাষ্ট্রনীতি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় ক্ষোভ জানান। তারা স্বাধীন তদন্ত ও জরুরি ব্যবস্থা দাবি করেন।

হামে শিশুমৃত্যু ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে, কিন্তু টিকা ক্যাম্পেইনে এখনো অনেক শিশু বাদ পড়েছে। স্বাস্থ্যব্যবস্থার সমন্বয়হীনতা ও প্রচারের ঘাটতি চিন্তার কারণ। সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে দেশে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, মোট সংখ্যা ৩৫২। এ সময়ে ৯৪৬ শিশুতে উপসর্গ দেখা দিয়েছে এবং ৪৮৯-এ হাম নিশ্চিত। ১৫ মার্চ থেকে ২৯১ উপসর্গ এবং ৬১ নিশ্চিত হামে শিশু মারা গেছে।

দেশের ১০ হাজার ৭৪০টি স্কুলে খেলার মাঠ নেই, ফলে শিশুরা ডিভাইসে আসক্ত হচ্ছে এবং সৃজনশীলতা কমছে। খেলাঘরের সেমিনারে ধর্ষণ, শিশুশ্রম, অপুষ্টি ও হামে শিশুমৃত্যুর মতো বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বক্তারা শিক্ষাক্রম পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।

ঢাকায় এনসিপির মানববন্ধনে সরকার নাগরিকের নিরাপত্তায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। হামে শিশুমৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণ এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিও উঠেছে। কর্মসূচিতে এনসিপির নেতারা খুন-ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা বৃদ্ধির প্রতিবাদ করেন।

হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিচার চাইল ছাত্র মৈত্রী।