
হাঁড়ি–পাতিলের পুনর্ব্যবহার নিয়ে শাবিপ্রবির গবেষণা
বারবার গলানোর ফলে পাত্রে বিষাক্ত উপাদান (কালো দাগ) জমে। বাংলাদেশে এই সমস্যা আরও বেশি।

বারবার গলানোর ফলে পাত্রে বিষাক্ত উপাদান (কালো দাগ) জমে। বাংলাদেশে এই সমস্যা আরও বেশি।

যখন গবেষণার কাজ শুরু করি, তখন বুঝতে পারি যে শুধু রেজাল্ট দিয়ে সবকিছু নির্ধারিত হয় না।

গত কয়েক বছর বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আগের তুলনায় বেশি বলেই এমন ‘মিথ’ তৈরি হয়েছে।

আমরা প্রায়ই শুনি, এবারের বাজেট আগের বছরের তুলনায় বড় হয়েছে বা জিডিপির কত শতাংশ সমপরিমাণ বাজেট দেওয়া হয়েছে।

এয়ারবোর্ন ফিনিকস অক্টোবর মাসে প্রস্তাব জমা দেয়। প্রথম ধাপের ফলাফলে ১২তম হয় দলটি। শুরু হয় নির্মাণপর্ব।

ইচ্ছা আর সঠিক পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো বাঁধাই টপকানো সম্ভব—তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মদনপুরের ক্ষুদে শিক্ষার্থী আরিফ হোসেন। বর্তমানে সে মদনপুর আলোর পাঠশালার ষষ্ঠ শ্রেণির একজন অত্যন্ত মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্র। ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার (প্রকৌশলী) হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করাই এখন আরিফের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। আরিফের বাবা হেলাল মিয়া পেশায় একজন চৌকিদার।

মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাশিদুল ইসলাম। ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে জেগে ওঠা চরাঞ্চলে, যেখানে জীবনযাত্রার প্রতিটি ধাপে সংগ্রাম, সেখানেই বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠছে সে। রাশিদুল ইসলামের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হলো—বাংলাদেশের একজন সফল ক্রিকেটার হওয়া।

অভাব-অনটন আর নিত্যদিনের টানাপোড়েন যেখানে নিয়তি, সেখানে স্বপ্ন দেখা অনেকের কাছেই এক বিলাসিতা। কিন্তু সব প্রতিকূলতাকে জয় করে, সীমাবদ্ধতার গণ্ডি ভেঙে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছে মোহনা আক্তার।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চট্টিগ্রামের বাবুডাইং আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসা: সিমা খাতুন। তার চোখ ভরা স্বপ্ন, যা কিনা তীব্র দারিদ্র্যের কালো ছায়াকেও ম্লান করে দেয়। তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য—লেখাপড়া শেষ করে একজন সেবিকা (নার্স) হওয়া। অভাব-অনটনের সঙ্গে নিত্য সংগ্রাম করেও সিমা তার স্বপ্নকে জীবন্ত রেখেছে।

মেঘনা নদীর বিশাল জলরাশির বুকে যখন ভোরের সূর্য হাসে, তখন নদীর পাড়েই জেগে ওঠে এক ব্যতিক্রমী আলোর পাঠশালা- মেঘনাপাড় ধীবর আলোর পাঠশালা। আর এই পাঠশালারই চতুর্থ শ্রেণির এক স্বপ্নবাজ শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুর রহমান তামিম। নদীপাড়ের এক সাধারণ দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া তামিমের স্বপ্নের পরিধি কিন্তু আকাশচুম্বী।

বাংলাদেশে জ্বালানি, তেল ও খনিজ সম্পদ প্রকৌশলে পড়ার সুযোগ সীমিত হলেও বিশ্বব্যাপী দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স রয়েছে। চাকরির বাজার সংকীর্ণ হলেও বিদেশে সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

অনেকেই ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু আমি একজন ফুটবলার হতে চাই। ভালো ফুটবলার হয়ে দেশ-বিদেশে ঘুরতে চাই। দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।