
আলোর পাঠশালা'য় স্বপ্ন বুনছে শিশু ওমর ফারুক
টেকনাফের দমদমিয়া জেটি ঘাট বন্ধ থাকায় পর্যটন-সংকটে পড়া এক সাধারণ ব্যবসায়ীর সন্তান ওমর ফারুক এখন ‘দমদমিয়া আলোর পাঠশালা’র হাত ধরে নতুন করে স্বপ্ন দেখছে।

টেকনাফের দমদমিয়া জেটি ঘাট বন্ধ থাকায় পর্যটন-সংকটে পড়া এক সাধারণ ব্যবসায়ীর সন্তান ওমর ফারুক এখন ‘দমদমিয়া আলোর পাঠশালা’র হাত ধরে নতুন করে স্বপ্ন দেখছে।

দারিদ্র্যকে জয় করে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কুড়িগ্রাম জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম চর কুমরের বসের সন্তান মো. লতিফুল ইসলাম। তিনি মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার সাবেক শিক্ষার্থী।

বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।

মদনপুর ইউনিয়নের দরিদ্র পরিবারের কিশোর হাসিব কৃষি ও পশুপালনে উদ্যোক্তা হয়ে গ্রামের যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায়। অভাবের মধ্যেও পরিশ্রমী এই ছাত্রের স্বপ্ন দেশের কৃষিখাতকে সমৃদ্ধ করা। সঠিক সহায়তা পেলে সে বড় উদ্যোক্তা হয়ে উঠবে বলে স্থানীয়দের আশা।

অনেকেই ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু আমি একজন ফুটবলার হতে চাই। ভালো ফুটবলার হয়ে দেশ-বিদেশে ঘুরতে চাই। দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।

মাসুদ হোসেন (৮) দমদমিয়া আলোর পাঠশালার তৃতীয় শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থী। তার রোল নম্বর ৫। তার পিতা মোহাম্মদ হোসেন পেশায় দিনমজুর। অন্যের দিনমজুরি কাজ করে কোনোরকমে তাদের সংসার চলে।

পারিবারিক অভাব-অনটন এবং বিয়ের সামাজিক চাপকেও উপেক্ষা করে পড়াশোনার প্রতি অদম্য স্পৃহা দেখিয়েছেন রাজশাহীর মোসা. তামান্না খাতুন। এক বড় স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠা তামান্না স্বপ্ন দেখেন একদিন একজন আদর্শ শিক্ষক হবেন। শহরে বেড়ে উঠলেও আর্থিক সংকটের কারণে তার ছোটবেলা থেকেই নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

রাজশাহীর তালাইমারির কেঁদুর মোড় এলাকার এক জীর্ণ ভাড়া বাসায় স্বপ্ন বুনে চলেছে এক কিশোর। নাম তার আব্দুর রহমান।

থ্যালাসেমিয়ার মতো দুরারোগ্য ব্যাধির সঙ্গে লড়াই করেও ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে নওগাঁর নিয়ামতপুর থানার গুড়িহারী শালবাড়ী গ্রামের মো. মুরসালিন।

রাজশাহীর সাধারণ পরিবারের রিশাদ আহম্মেদ আরশ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়াশোনা চালিয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখে। মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের সহায়তায় তার শিক্ষা অব্যাহত রয়েছে। সে অসহায় মানুষের সেবা করতে আকাঙক্ষিত।

নানা সংকট আর চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে উঠেও সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে এক কিশোরী। তার নাম তহমিনা আক্তার। সে কুড়িগ্রামের দুর্গম চর কুমরেরবসের বাসিন্দা এবং স্থানীয় মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী।

মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাশিদুল ইসলাম। ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে জেগে ওঠা চরাঞ্চলে, যেখানে জীবনযাত্রার প্রতিটি ধাপে সংগ্রাম, সেখানেই বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠছে সে। রাশিদুল ইসলামের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হলো—বাংলাদেশের একজন সফল ক্রিকেটার হওয়া।