
হার্ট ভালো রাখতে কি সবার জন্য অ্যাসপিরিন প্রয়োজন
যাঁদের হৃদ্রোগ বা স্ট্রোক হয়নি, তাঁদের কি প্রতিদিন অ্যাসপিরিন খাওয়া উচিত? অনেকেই কেবল বয়স হয়েছে বলে স্বল্প মাত্রার অ্যাসপিরিন সেবন করেন। এটা কি ঠিক?

যাঁদের হৃদ্রোগ বা স্ট্রোক হয়নি, তাঁদের কি প্রতিদিন অ্যাসপিরিন খাওয়া উচিত? অনেকেই কেবল বয়স হয়েছে বলে স্বল্প মাত্রার অ্যাসপিরিন সেবন করেন। এটা কি ঠিক?

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ৮৫ বছর বয়সে গতকাল রোববার রাতে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তিনি কিছুদিন আগে স্ট্রোক করেন।

অনেকের ধারণা, বয়স ৪০ বা ৫০ পার হলেই হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোক ঠেকাতে প্রতিদিন স্বল্প মাত্রার অ্যাসপিরিন খাওয়া উচিত।

রামকিল বমকে সেনাসদস্যরা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নিয়ে যান। স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন রামকিল বম।

গরমে কারণে হিটস্ট্রোকের মতো শারীরিক সমস্যায় এবং হুয়ান ম্যানুয়াল সেরুন্দোলোর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের কাছে হার মেনে ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে বিদায় নিয়েছেন শীর্ষ বাছাই ইয়ানিক সিনার।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষজ্ঞরা জানান, জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও নিয়মিত পরীক্ষা দিয়ে এ ঝুঁকি কমানো সম্ভব। রক্তচাপ ১৩০/৮০ এর নিচে রাখুন।

হজে সর্দি-কাশি, পানিশূন্যতা, হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যা থেকে বাঁচতে পানি পান, খাবার সতর্কতা ও ওষুধ নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মক্কা-মদিনায় বাংলাদেশ মেডিকেল সেন্টারের যোগাযোগ নম্বরও জানানো হয়েছে। সুস্থ থেকে ফরজ কাজ পালনই মূল লক্ষ্য।

দেশজুড়ে তাপপ্রবাহে পোষা প্রাণীরাও কষ্ট পাচ্ছে। হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি, ঠান্ডা পরিবেশ, সঠিক খাদ্য ও লক্ষণ দেখলে চিকিৎসা নেওয়ার উপায় জানুন। ড. এ কে এম হুমায়ুন কবিরের পরামর্শ।

কক্সবাজারে তীব্র গরম, ঘন ঘন লোডশেডিং ও জ্বালানিসংকটে হিট স্ট্রোকে মুরগি মারা যাচ্ছে। দুই হাজারের বেশি পোলট্রি খামার বন্ধ হয়েছে এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে লোকসান বাড়ছে। খামারিরা জেনারেটর চালাতে অক্ষম হওয়ায় মুরগির মৃত্যুর হার বেড়েছে।

দেশজুড়ে বইছে তাপপ্রবাহ। এমন তাপপ্রবাহ সবার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

হিটস্ট্রোক ছাড়াও হিট ক্র্যাম্প বা মাংসপেশিতে টান লাগা, অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগা, শরীরে লবণের তারতম্যতা, গরমের কারণে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এমন সমস্যাও হতে পারে।

বাইরে গেলে সঙ্গে পানি ও ছাতা রাখুন। ছোট পাখাও রাখতে পারেন। মাঝেমধ্যে মুখে পানি ছিটিয়ে নেওয়া এবং ভেজা কাপড় দিয়ে মুখ আর শরীর মোছা ভালো।