
সীমান্তে পুশ ইন বন্ধের দাবি জানিয়েছে ভাসানী জনশক্তি পার্টি।
ভারতীয় নাগরিকদের পুশ ইনের মাধ্যমে যেন বাংলাদেশে ঢোকাতে না পারে, সরকারের উদ্দেশে বলেছেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতারা।

ভারতীয় নাগরিকদের পুশ ইনের মাধ্যমে যেন বাংলাদেশে ঢোকাতে না পারে, সরকারের উদ্দেশে বলেছেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতারা।

‘কাঁটাতারের এপাড়ওপাড়: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সহিংসতা, পুশ-ইন ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা’ শীর্ষক একটি খসড়া গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়।

সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং আন্তসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশাপাশি এখন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও সীমান্তবর্তী এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন।

গত সোমবার রাত ১০টার দিকে ওই সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৭৮ নম্বর পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফ সদস্যরা ওই যুবককে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সপ্তাহে ভারতকে বলেছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়েছে।

সম্প্রতি ভারতের পুশ ইনকে কেন্দ্র করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ভীষণ অমানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নারী–শিশুসহ অনেক মানুষকে সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে দেখা যায়। তারা খাদ্য পানি আশ্রয় ছাড়াই দিনের পর দিন খোলা আকাশের নিচে থাকতে বাধ্য হন।

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কারও দিক থেকেই এটা করা বাঞ্ছনীয় নয়। এর শুরুটা করেছে ভারত, ফলে দায়িত্বটাও তাদের ওপর থাকবে।

বিশ্বের প্রায় সর্বত্র উগ্র জাতীয়তাবাদের কদর এখন। এই মতাদর্শের বড় এক উপাদান ‘অপর’কে অশান্তিতে রাখা। এটাই অনেক অঞ্চলে তার জনপ্রিয়তার জাদু।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে বর্বরতা বা নাগরিক হত্যা আর মেনে নেওয়া হবে না। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্তে রাজনীতি বেশি দেখছেন তিনি। বিএসএফের ইতিবাচক ভূমিকা কামনা করেছেন।

ভারতের বিজেপি নেতা অমিত শাহের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সাপ-কুমির ছাড়ার প্রস্তাব নিয়ে উত্তেজনা। তথাকথিত অনুপ্রবেশকারীদের ‘উইপোকা’ বলে চিহ্নিত করে এ ভাষা ঐতিহাসিক অমানবিকীকরণের সঙ্গে তুলনীয়। এর পেছনে চার্চিলের মতো ঔপনিবেশিক মানসিকতার ছায়া দেখা যাচ্ছে।

সীমান্তে ঘাস কাটতে গিয়ে বিএসএফ-এর হাতে আটকের সাড়ে ১০ মাস পর শুক্রবার লাশ হয়ে দেশে ফিরলেন ঠাকুরগাঁওর আজিজুর রহমান। পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্তে বিজিবি, পুলিশ ও হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে লাশ হস্তান্তর হয়েছে। পরিবারের দাবি, আটকের পর তাঁকে নির্যাতন করা হয়েছিল।

সীমান্তের কোন ৩০ পথে ঢুকছে অবৈধ অস্ত্র