
খুব কম শিক্ষকই অধ্যাপক সাখাওয়াতের মতো সাংবাদিকতা শাস্ত্রকে সহজ করে বলতে পেরেছেন
অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানের স্মরণসভায় অংশ নিয়ে সদ্য প্রয়াত এই শিক্ষকের কর্মজীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন তাঁর সাবেক সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানের স্মরণসভায় অংশ নিয়ে সদ্য প্রয়াত এই শিক্ষকের কর্মজীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন তাঁর সাবেক সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা।

মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তির মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোসলের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বয়স ছিল ৯২ বছর। বড় বোন লতা মঙ্গেশকরও ২০২২ সালে এই হাসপাতালেই মারা গিয়েছিলেন।

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার পথিকৃৎ অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ৮৫ বছর বয়সে ৯ মার্চ ঢাকায় মারা যান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর স্মরণসভায় ছাত্র-শিক্ষক-পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করেন এবং তাঁর নামে বিভিন্ন উদ্যোগের প্রস্তাব দেন।

আবুল মনসুর আহমদের প্রাসঙ্গিকতার প্রধানতম ভিত্তি হলো তাঁর অপরাজেয় ব্যঙ্গ সাহিত্য বা স্যাটায়ার। ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ আয়না বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে। এই গ্রন্থে তিনি ধর্মীয় গোঁড়ামি, ভণ্ড পীর-মুরিদি প্রথা এবং সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে থাকা কুসংস্কারকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে আক্রমণ করেছেন। ‘হুজুর কেবলা’, ‘নায়েবে নবী’ বা ‘ধর্মরাজ্য’র মতো গল্পগুলোয় তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে ধর্মের পবিত্র লেবাস পরে একদল মানুষ সাধারণ মানুষকে শোষণ করে।

আজ সব শিক্ষক নয়, বলতে চাই সদ্য প্রয়াত ড. সাখাওয়াত আলী খান স্যারের কথা। ব্যাকব্রাশ করা একমাথা চুল, সৌম্যকান্তিময় চেহারার মায়াময় হাসিতে আচ্ছন্ন অবয়বের শিক্ষক তিনি। দূরে কোথাও স্লোগান হচ্ছে, তরুণ তুর্কি কবিরা বানাচ্ছেন কবিতা পড়ার প্রহর। অথচ আমরা আলো–ছায়া ক্লাসরুমে।

ফুলে ফুলে ভরেছে মিনার, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

ফুলে ফুলে ভরে গেছে শহীদ মিনারের বেদি।

জন্মেছিলেন চট্টগ্রাম জেলার রাউজানের নয়াপাড়া গ্রামে। সাহিত্যিক-আগমনটি ছিল খানিকটা নীরব, তবে দ্রুত তিনি তাঁর কালের প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে নিজেকে যথাযথভাবেই সংস্থাপন করতে পেরেছিলেন।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো খ্যাতনামা সাংবাদিক মার্ক টালির জীবনাবসান হয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকে যতজন প্রবাদপ্রতিম পুরুষ আলোকিত করেছেন, তাঁদের মধ্যে সর্বাগ্রে স্থান করে নেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদকে আজ সোমবার রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। ইন্দিরা রোড, সুপ্রিম কোর্ট ও শহীদ মিনারে তাঁর জানাজা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত রোববার এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।