
প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারের পথে অন্তরায় কী
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বিগত সময়ে তথাকথিত নানা সংস্কারের মধ্য দিয়ে গেছে।

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বিগত সময়ে তথাকথিত নানা সংস্কারের মধ্য দিয়ে গেছে।

স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে ১৯৭৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘উইমেন ফর উইমেন’—বাংলাদেশে নারীবিষয়ক গবেষণা ও চিন্তার অন্যতম প্রথম সংগঠন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) প্রতিবছর বিশ্বের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে।

নন-আইটি ব্যাকগ্রাউন্ডের স্নাতক ও ডিপ্লোমা প্রার্থীদের জন্য আইএসডিবি–বিআইএসইডব্লিউ বিনামূল্যে ২ লাখ টাকার আইটি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ৭২তম রাউন্ডে আবেদনের শেষ তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২৬। বিএসসি কম্পিউটার সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার ও আইনজীবীরা আবেদন করতে পারবেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইকোনমিকস স্টাডি সেন্টারের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী সপ্তম ‘বাংলাদেশ ইকোনমিকস সামিট’ শুরু হয়েছে। উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম উদ্বোধন করেন। যুব কর্মসংস্থান ও টেকসই প্রবৃদ্ধির উপর আলোচনা হবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি ও খনিপ্রকৌশল বিভাগ থেকে এখন পর্যন্ত ৪৫০ স্নাতক বের হয়েছেন। এর ৪০ শতাংশ দেশ-বিদেশে শিক্ষকতা, গবেষণা ও কোম্পানিতে চাকরি করছেন। সুরমা বেসিনের সান্নিধ্যে বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা দিচ্ছে এই বিভাগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের তরুণদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে জাপান স্টাডি ক্লাব। এটি জাপানের ভাষা, ইতিহাস, কূটনীতি এবং অ্যানিমে নিয়ে আলোচনা করা জ্ঞানচর্চা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম।

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বিবর্তনশীল প্রক্রিয়া, যা বিগত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে নীতিগত সংস্কার ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের মাধ্যমে অগ্রগতি অর্জন করেছে।

শিক্ষা খাতে এখনো বড় কোনো দৃশ্যমান সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ শুরু হয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা ভিন্নধর্মী একটি বিপদের সংকেত পাচ্ছি; তা হলো দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পাশ কাটিয়ে কিছু চমকপ্রদ নীতি গ্রহণ, যেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তা প্রাধান্য পাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ধারায় পরিচালিত হয়ে আসছে—বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদ্রাসা শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা। স্বাধীনতার পর দেশে শিক্ষার বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও অনেক বেড়েছে।

শিক্ষা ক্যাডারের সব কর্মকর্তা প্রশাসক হবেন—এমনটি যেমন কাম্য নয়, তেমনি সবাই সারা জীবন কেবল শ্রেণিকক্ষেই সীমাবদ্ধ থাকবেন—এমন ধারণাটিও সেকেলে।

প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত যুবক বের হলেও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে তাঁরা বেকার থাকছেন।