
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে আর পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থাকবে না: শফিকুর রহমান
অতীতের ‘পরিবারতন্ত্রনির্ভর’ রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে দেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

অতীতের ‘পরিবারতন্ত্রনির্ভর’ রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে দেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঢাকা–১৩ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতি যখন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, তখন কেউ কেউ দেশে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে গতকাল দিনভর একদল কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিক্ষোভ-উত্তেজনার মধ্য দিয়ে গভর্নরের পদ থেকে বিদায় নিতে হয় আহসান এইচ মনসুরকে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি অতীতের ওয়াদা ভুলে গেছে। তিনি সংস্কারের দাবি ও জ্বালানিসংকট নিয়ে সরকারের প্রতি সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। পীরেরবাগে ঈদ পুনর্মিলনীতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘নতুন কোনো ফ্যাসিস্টকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না মানুষ। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দলের সরকার হবে না, ১৮ কোটি জনতার সরকার হবে।

শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে আপনারা একজন ‘সর্ব বিষয় বিশারদ’ মন্ত্রী পেয়েছেন, যিনি একাই সব মন্ত্রণালয় চালান।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। তিনি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। রংপুরে সুধী সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে এ টি এম আজম খানকে প্রার্থী ঘোষণা করেন।

ন্যায় ও সত্যের ওপর অটল থাকার প্রত্যায় জানিয়েছেন জামায়াতের আমির।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে সবাইকে নিয়েই আগামী পাঁচ বছর দেশ চালাতে চাই। আমরা বিভক্তির বাংলাদেশ চাই না। আমরা ঐক্যের বাংলাদেশ চাই।’

গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার মৌলিক পরিবর্তনের সব বিষয়কে অগ্রাহ্য করেছে। এতে জাতীয় জীবনে নতুন সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।

মির্জা আব্বাসের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার ইফতারের সময় তিনি হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অবস্থার উন্নতি না হলে সেদিন গভীর রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।