
লাভ-লোকসান নিয়ে কোনো দিন ভাবিনি: পুরস্কারজয়ী প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পাল
ছয় দশকের বেশি সময় মাটি, মানুষ ও শিল্পকে একসূত্রে গেঁথে কাজ করছেন হরিপদ পাল। জানালেন নিজের শিল্পকর্ম, কর্মজীবন, অনুভূতি ও ভাবনা।

ছয় দশকের বেশি সময় মাটি, মানুষ ও শিল্পকে একসূত্রে গেঁথে কাজ করছেন হরিপদ পাল। জানালেন নিজের শিল্পকর্ম, কর্মজীবন, অনুভূতি ও ভাবনা।

চট্টগ্রামের অনেক মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীর মুখে এবার একই ধরনের হতাশা। গত ঈদে মৌসুমি বিক্রেতারা প্রত্যাশিত দাম পাননি। কেউ গরুর চামড়া কেনা দামের অর্ধেকেরও কমে বিক্রি করতে বাধ্য হন। আবার কেউ শেষ পর্যন্ত কোনো ক্রেতাই পাননি।

পাহাড়ি এলাকায় ধান চাষ করতেন সন্ধ্যামণি চাকমা (৬৫)। তবে এ চাষে তেমন লাভ হতো না তাঁর। পানির সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হতো। তবে এখন চিত্র পাল্টেছে। ওই জমিতেই তিনি করছেন আখ চাষ। এতেই বছরে আয় করছেন প্রায় চার লাখ টাকা।

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ বেড়েছে। খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলছেন, সব বাড়তি খরচ ভর্তুকি নয়, সঠিক মূল্য নির্ধারণ ও সংস্কারের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা সম্ভব। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ দরকার।

খুলনার তরমুজের খ্যাতি দেশজুড়ে। উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকায় উৎপাদিত এই ফল একসময় জেলার কৃষকদের জন্য লাভজনক ছিল। কিন্তু টানা কয়েক বছরের লোকসানে এবার অঞ্চলটিতে তরমুজ আবাদে বড় ধস নেমেছে।

শুধু এই একটি ম্যাচ ঘিরেই জড়িয়ে আছে প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের বাজার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার ১২০ কোটি টাকারও বেশি!

ঈদের দিন বিকেল পর্যন্ত সবকিছু ঠিকই ছিল। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা গরুর চামড়া সংগ্রহ করছিলেন। কেউ ভ্যানে। কেউ পিকআপে। কারও সামনে শত শত চামড়া। সবারই আশা ছিল, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম উঠবে। কিন্তু সেই আশা শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায়।

ঈদের দিন গ্রামে ঘুরে চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন গাইবান্ধার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে চামড়া কেনার পর স্থানীয় পাইকারেরা তা কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ফলে কেউ লোকসানে বিক্রি করছেন, কেউ আবার বাড়িতে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করছেন।

সিলেটের বিশ্বনাথের ইব্রাহিম শাহের মাজার। প্রায় শত বছর ধরে মাজারের পাশে বাউলগানের আয়োজন করা হয়।

উৎপাদন খরচের অর্ধেক দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন রংপুরের তারাগঞ্জের কৃষকেরা। সংরক্ষণের সংকট ও বাজারদরের ধসের কারণে লোকসানের বোঝায় দিশাহারা চাষিরা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ও সরকারি ক্রয়ের দাবি জানিয়েছেন।

বন্ধ চিনিকল চালু হওয়ার খবরে আশা জেগেছিল আখচাষি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। সেই আশা ক্রমেই হতাশায় পরিণত হচ্ছে।

সরকার ঘোষিত দামে আলু বিক্রি না হওয়ায় হিমাগার ভাড়া ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে পারছেন না চাষিরা। এর প্রভাবে চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে আলু চাষ কমেছে প্রায় চার হাজার হেক্টর জমিতে।