
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি সইয়ে কয়েক ঘণ্টার বিলম্বের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে আজ রোববার প্রাথমিক চুক্তি সই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে আজ রোববার প্রাথমিক চুক্তি সই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

আলোচনা স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মঙ্গলবার জয়পুরে বলেছেন, ইরানে নতুন মার্কিন হামলা সত্ত্বেও দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য একটি রাজনৈতিক দুঃস্বপ্ন হয়ে এসেছে।

গত রোববার রাতে ওয়াশিংটন–তেহরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করে।

পাকিস্তান তৈরি করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শত্রুতা শেষের দুই ধাপের পরিকল্পনা, যাতে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি এবং পরে বিস্তৃত চুক্তি অন্তর্ভুক্ত। আজ সোমবারই এটি কার্যকর হতে পারে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে যেতে পারে। সেনাপ্রধান আসিম মুনির সারা রাতের যোগাযোগের মধ্য দিয়ে এগিয়ে এসেছে প্রস্তাবটি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ইরান আবার তেল বিক্রি করতে পারবে।

এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে।

সাম্প্রতিক জনমত জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্প ও তাঁর দলের জনপ্রিয়তা ক্রমেই কমছে

ইসমাইল বাঘাই বলেন, গত এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান অনেকটাই কাছাকাছি এসেছে। তবে এর অর্থ এ নয় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সমঝোতা হয়ে গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তিটি সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবার জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।’