
‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি সমর্থন চীনের, সম্পর্ক আরও জোরালো করার অঙ্গীকার
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সমর্থন জানিয়ে চীন আশা প্রকাশ করেছে, এই সরকারের আমলে ‘নতুন উচ্চতায়’ পৌঁছাবে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সমর্থন জানিয়ে চীন আশা প্রকাশ করেছে, এই সরকারের আমলে ‘নতুন উচ্চতায়’ পৌঁছাবে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা কখনোই শুধু এই দুই দেশের মধ্যেই সীমিত থাকে না। ইরানের ভেতরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বহু মানুষের মৃত্যুর খবরের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের বক্তব্য আরও কঠোর হয়ে ওঠে।

এই ব্যবসায়ীরা সম্ভবত বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও ব্যবসায়িক চুক্তি সইয়ের চেষ্টা করবেন। শেষ মুহূর্তে সফরে যোগ দিয়েছেন এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং।

চীনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফর করেছেন এবং সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। চীন তাঁকে নতুন চীনা নাম দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এ ঘটনা এখন ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্কের কারণে চীন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির অভিযোগে ১০ মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প ইরান নিয়ে ধৈর্য হারানোর কথা বলেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে দুই নেতা একমত। এদিকে প্রণালিতে জাহাজ আক্রমণের ঘটনায় উত্তেজনা বাড়ছে।

ইরান শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় আটকে থাকা সামনে বুধবার বেইজিংয়ে পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বাণিজ্য ছাড়াও সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। চীনকে তেহরানের ওপর প্রভাব খাটাতে বলতে পারেন ট্রাম্প।

চীন দূতাবাসের মুখপাত্র বলেছেন, এসব মন্তব্যে ‘ভুল-শুদ্ধ’ গুলিয়ে ফেলা হয়েছে আর এর পেছনে স্পষ্টভাবেই ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ রয়েছে।

সরাসরি ও মধ্যস্থতাকারী—দুই মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কাবেলো যোগাযোগ রেখে চলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে, যার পিছনে পাকিস্তানের অবিরাম মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামাবাদের কূটনৈতিক উদ্যোগ কীভাবে এই অগ্রগতি এনেছে, তা বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পাকিস্তানের বড় কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত বার্ষিক এ সম্মেলনে ৬০টির বেশি দেশের নেতারা অংশ নেন। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ‘নতুন ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারত্ব’-এর আহ্বান জানান।