
তওবা কবুলের ৪ শর্ত
তওবা করার সময় যদি মনে এই ধারণা থাকে যে সুযোগ হলে আবারও এই কাজ করব, তবে তা আদৌ তওবা বলে বিবেচ্য হবে না এবং আল্লাহর কাছে তা কবুলও হবে না।

তওবা করার সময় যদি মনে এই ধারণা থাকে যে সুযোগ হলে আবারও এই কাজ করব, তবে তা আদৌ তওবা বলে বিবেচ্য হবে না এবং আল্লাহর কাছে তা কবুলও হবে না।

ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।

অষ্টম শতাব্দীর বসরায় জন্মগ্রহণকারী হযরত রাবেয়া বসরি দারিদ্র্য ও দাসত্ব সত্ত্বেও খোদাপ্রেমের ‘হুব্ব’-ভিত্তিক দর্শন প্রচার করেন। তাঁর জীবন সুফিবাদে প্রেমের নতুন মাত্রা যোগ করে। এই প্রতিবেদনে তাঁর জীবন ও শিক্ষার বিবরণ পাওয়া যাবে।

ইসলামে সময়কে ঘড়ির কাঁটায় নয়, আমলের ওজনে মাপা হয়। নিয়তের ইখলাসে প্রতি মুহূর্ত ভারী হয়। নামাজ, রোজা, হজের মাধ্যমে জীবনের ওজন বাড়ানোর পথ দেখানো হয়েছে কুরআন-হাদিসে।

বিয়ের বিলম্বে অনেকে নির্দিষ্ট দোয়া খোঁজেন, কিন্তু ইসলামে এর জন্য কোনো ধরাবাঁধা দোয়া নেই। পরীক্ষায় ধৈর্য ধরে আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের করণীয়। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের উক্তি থেকে জানুন বিস্তারিত।

ইবনুল জাওজি ছিলেন তাঁর যুগের প্রখ্যাত ওয়ায়েজ ও লেখক, যাঁর মজলিশে হাজারো মানুষ ইসলাম গ্রহণ করত। তাঁর জীবনে ছিল একের পর এক মর্মান্তিক পরীক্ষা, যেমন বন্যায় লাইব্রেরি ধ্বংস, সন্তান শোক ও নির্বাসন। তাঁর গ্রন্থ <em>সাইদুল খাতির</em>-এ বিপদ মোকাবিলায় ধৈর্যের অনন্য নীতি তুলে ধরেছেন।

রমজানের পর ইবাদতের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক দৃঢ়তা জরুরি। এখানে ১০টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হয়েছে, যা কোরআন, হাদিস ও সাহাবিদের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। এগুলো অনুসরণ করলে সারা বছর আধ্যাত্মিক আমেজ বজায় থাকবে।

অন্তর যদি ব্যাধিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়ে যায়, তবে তার প্রভাব পুরো দেহের ওপর পড়ে এবং আত্মিক শুদ্ধতা নষ্ট হয়, আমল ও আখলাক ধ্বংস হয়ে যায়।

কেয়ামতের ময়দানে প্রতিটি নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। স্বাধীনতা দিবসে আমাদের আত্মোপলব্ধি প্রয়োজন—আমরা কি স্বাধীনতার এই নেয়ামতকে সঠিক পথে ব্যয় করছি?

কেউ যখন নিজের দুর্বলতা কিংবা কষ্টের কথা জানায়, তখন তা গোপন রাখা নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। প্রকাশ করা বা তা নিয়ে উপহাস করা বিশ্বাসভঙ্গের শামিল।

যে রোজা রাখে, অন্য কারও তা জানার সুযোগ নেই। কেউ যদি সাহ্রি ও ইফতার করে মাঝখানে গোপনে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে মানুষ তা বুঝতে পারবে না।

দুঃসময় জীবনের কোনো বিচ্ছিন্ন অংশ নয়; বরং এটি ইমানের পরিমাপক এবং আত্মশুদ্ধির সুযোগ। বিপদের মাধ্যমে আল্লাহ দেখেন, কে তাঁর দিকে ফেরে, আর কে বিমুখ হয়।