
সর্বোত্তম গৃহের খোঁজে
‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি মক্কায় আপনার বাড়িতে অবস্থান করবেন? নবীজি বলেন, ‘আকিল কি আমাদের জন্য কোনো চারদেয়াল বা ঘরবাড়ি অবশিষ্ট রেখেছে?

‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি মক্কায় আপনার বাড়িতে অবস্থান করবেন? নবীজি বলেন, ‘আকিল কি আমাদের জন্য কোনো চারদেয়াল বা ঘরবাড়ি অবশিষ্ট রেখেছে?

অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।

রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।

হিজরতের পর মদিনায় ‘রাষ্ট্রপ্রধান’ হওয়ার পরও তাঁর জীবনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর শয্যা ছিল খেজুর পাতার তৈরি, যা শরীরে দাগ ফেলে দিত।

মক্কার তপ্ত বালু থেকে তায়েফের রক্তাক্ত প্রান্তর—সবখানেই তিনি ধৈর্য ও সংকল্পের মাধ্যমে জয়ী হয়েছেন। সফল হওয়ার জন্য তাঁর জীবনের ১০টি জীবনমুখী শিক্ষা তুলে ধরা হলো:

ওয়ারাকা মুহাম্মদের জবানিতে ঘটনা শুনে বলেন, ‘ইনি তো সেই ফেরেশতা, মুসার কাছে যিনি আসমানি বার্তা নিয়ে আসতেন। হায়, যদি আমি শক্ত-সমর্থ যুবক থাকতাম!

নেতৃত্বের প্রকৃত সংজ্ঞায় মহানবী (সা.)-এর চেয়ে সফল কেউ নেই। তাঁর জীবন থেকে সফল নেতা বা সংগঠক হওয়ার ১০টি অনন্য সূত্র তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো অনুসরণ করে যেকোনো দলকে সাফল্যের শিখরে নেওয়া সম্ভব।

মহানবী (সা.) অধীনস্থ শ্রমিক, খাদেম ও কর্মচারীদের প্রতি দয়া, সম্মান ও ন্যায়বিচারের আচরণ করতেন। সাহাবি আনাস (রা.)-এর বর্ণনায় তাঁর সেবার অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন হাদিসে অধীনদের অধিকার ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ আছে। এ শিক্ষা ইমানের অংশ।

কাতারের আওকাফ মন্ত্রণালয় থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে সিরাত সাহিত্যের অনিবার্য পাঠ। বিশুদ্ধ বর্ণনার বাইরে এতে কিছুই স্থান দেওয়া হয় নি।

মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

নবীজি (সা.) মুসলিম উম্মাহর ধ্বংসের কারণ হিসেবে দুনিয়ার প্রাচুর্য, গুপ্ত শিরক, সমকামিতা, ব্যভিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। হাদিসের আলোকে এই সতর্কতাগুলো উম্মতকে সঠিক পথে রাখার মানদণ্ড। প্রকৃত নবীপ্রেম এই শিক্ষাগুলো জীবনে অবলম্বন করা।

কখনো কখনো মসজিদে থাকা অবস্থায় নবীজি হজরত আয়েশার কক্ষের দিকে মাথা বাড়িয়ে দিতেন। আয়েশা (রা.) তখন তাঁর চুলের পরিচর্যা করে দিতেন।