
বিএনপি ও জামায়াতের ইশতেহারে কল্যাণমুখী নীতি কতটা পেলাম
নারীকে নানাভাবে আরও অধস্তনতার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, সেখানে এমন একটি উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়নকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

নারীকে নানাভাবে আরও অধস্তনতার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, সেখানে এমন একটি উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়নকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এখন প্রশ্ন হলো, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ‘আইনের শাসন’ কি এই রাঘববোয়ালদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে? নাকি দল পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে লুটেরারাও ভোল পাল্টে নতুন সরকারের ‘আশ্রয়’ নেবে?

দৈনিক মুক্তকণ্ঠের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৮১টি সংস্থার ৫৫ হাজার ১৫৪ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে একটি নামমাত্র সংস্থাই ১০ হাজার পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছিল, যা পরে স্থগিত করা হয়। এ ঘটনা ব্যতিক্রম নয়, বরং পুরো নির্বাচন পর্যবেক্ষণব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।

মনে রাখা দরকার, প্রত্যন্ত একটি গ্রামের স্থানীয় ভোটাররা যে কথায় সহজেই বিশ্বাস রাখবেন, শহরের উচ্চশিক্ষিত একজন নাগরিক হয়তো আস্থা রাখবেন তাঁর জীবনের মান উন্নয়নসংক্রান্ত কোনো প্রতিশ্রুতিতে।

রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে আমরা এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের অনুমোদন বা ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা সংস্কার কমিশনের এই প্রস্তাবেতে বিএনপি শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে।

আওয়ামী লীগ আমলের গত তিনটি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জনমনে কৌতূহলের কোনো সুযোগ ছিল না। এমনকি ২০০৮ সালের নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা আগেই ধারণা করা গেছে। সেদিক থেকে এবার এক ব্যতিক্রমী নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন জরিপে ফলাফলের কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

যাঁর সঙ্গেই দেখা হয়, একটাই প্রশ্ন, ‘ইলেকশনে কে জিতবে।’ জাতীয় সংসদের নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে।