
মঙ্গল গ্রহে মানুষের সাহায্য ছাড়াই পথ পাড়ি দিল নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভার
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে রোভারটি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে রোভারটি।

চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটি।

নাসার পরবর্তী মঙ্গল গ্রহ অভিযানের জন্য মহাকাশযান তৈরির দৌড়ে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সকে টেক্কা দিয়ে নাসার সঙ্গে চুক্তি করেছে এরিক শ্মিটের প্রতিষ্ঠান রিলেটিভিটি স্পেস।

গবেষকদের দাবি, এই প্রযুক্তি সফল হলে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ৩০ দিন।

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ পর মঙ্গল গ্রহে থাকা কিউরিওসিটি রোভারের সঙ্গে আবার সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে নাসা।

একটু মনোযোগ দিয়ে তাকালেই রাতের আকাশে বৃহস্পতি, বুধ, নেপচুন, শনি, ইউরেনাস ও শুক্র গ্রহ দেখা যাচ্ছে।

নাসা এমন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যেটি মহাকাশে থাকা একটি মাত্র টার্মিনাল বা যন্ত্র ব্যবহার করেই একাধিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের দ্য মার্স সোসাইটি আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬’–এ তৃতীয় স্থান অর্জন করায় নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউআইইউ মার্স রোভার’ দলকে সংবর্ধনা দিয়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ)।

জুন মাসে আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও ১৫ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে দেখা যাবে বছরের অন্যতম সেরা কিছু মহাজাগতিক দৃশ্য।

যুক্তরাষ্ট্রে রোভার প্রতিযোগিতায় বিশ্বে তৃতীয় ইউআইইউ, প্রথম এশীয় হিসেবে গড়ল ইতিহাস।

নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মঙ্গলের খনিজ থেকে অ্যারোসল কণা তৈরি করে ১৫ বছরে গ্রহটির তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি বাড়ানো যাবে। এটি তরল পানি ও মানব বসতির প্রথম ধাপ। কৃত্রিম চৌম্বকীয় ঢাল বায়ুমণ্ডল রক্ষা করবে।

নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভার মঙ্গলের নেরেতভা ভ্যালিসে অভূতপূর্ব পরিমাণ নিকেল শনাক্ত করেছে। এই আবিষ্কার প্রাচীন মঙ্গলের রাসায়নিক ইতিহাস এবং অণুজীবের বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন আলোকপাত করবে। বিজ্ঞানীরা এতে অক্সিজেনবিহীন পরিবেশ এবং জৈব যৌগের সন্ধান পেয়েছেন।