
গণরায়কে সব সময় সম্মান করি: ট্রাম্প
ভোটের ফলাফল অর্থাৎ গণরায়কে সব সময় সম্মান করেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যে প্রক্রিয়া তাঁকে দুই বার হোয়াইট হাউসে নিয়ে গেছে, তার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেও ছাড়েননি তিনি।

ভোটের ফলাফল অর্থাৎ গণরায়কে সব সময় সম্মান করেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যে প্রক্রিয়া তাঁকে দুই বার হোয়াইট হাউসে নিয়ে গেছে, তার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেও ছাড়েননি তিনি।

এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ তাঁদের কাছে ইতিবাচক। ফলাফল যা-ই হোক, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও হানাহানিমুক্ত হবে—এই আশাবাদ ব্যক্ত করলেন সবাই।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘ভোটের দিন পরিবেশ উৎসবমুখর ছিল। মানুষ বাধাহীনভাবে ভোট দিয়েছে। কিন্তু পরে ফলাফল ঘোষণার আগে যে রহস্যময় বিরতি তৈরি হলো, সেটাই বড় প্রশ্ন।’

ভোটারদের ভোটের দিন ফজরের নামাজ পড়ে কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হাসনাত। ফলাফল নিয়ে না আসা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র না ছাড়ার পরামর্শ দেন তিনি।

চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) একমাত্র প্রার্থীই জামানত হারাচ্ছেন। চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে নির্বাচন করেন মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ। তিনি আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দুই আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপির শরিক দলের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ভোট আপনার অধিকার, সেই অধিকার প্রয়োগ করুন। ভোট দেওয়ার পর গণনা শেষে ফলাফল নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জামানত হারাচ্ছেন। চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এই একটিতেই মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি জামায়াতের প্রার্থী। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এগুলোর ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকায় কমিশন ফলাফল স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর।

আওয়ামী লীগ না থাকলেও খুলনার অধিকাংশ আসনে ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে দলটির সমর্থক ও সংখ্যালঘু ভোটারদের অবস্থান।

আওয়ামী লীগ আমলের গত তিনটি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জনমনে কৌতূহলের কোনো সুযোগ ছিল না। এমনকি ২০০৮ সালের নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা আগেই ধারণা করা গেছে। সেদিক থেকে এবার এক ব্যতিক্রমী নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন জরিপে ফলাফলের কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

এপ্রিল মাসে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়া ভারতের চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই সবচেয়ে জনবহুল। এই রাজ্যের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতের কেন্দ্রে আসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে।