
রাষ্ট্রভাষার সংগ্রামের শুরুর দিনগুলো
রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার এসেছে সংগ্রামের পথে, রক্তাক্ত আত্মনিবেদনে; নানা ধাপে। ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার এসেছে সংগ্রামের পথে, রক্তাক্ত আত্মনিবেদনে; নানা ধাপে। ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।

প্রতিবারের মতো এবারও ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল আয়োজন করেছিল অমর একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান।

যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে গতকাল শনিবার সকালে (২১ ফেব্রুয়ারি) ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬’ পালিত হয়েছে।

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা লিপিকে আরবি হরফে রূপান্তরের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

শুধু একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই জাদুঘরটি নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ে। বছরের অন্য সময় কাটে অবহেলায়।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের পারিল গ্রামে ভাষাশহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে বই আছে অনেক, ভাষাশহীদের স্মৃতিস্মারকও আছে। তবে সেখানে খুব কমসংখ্যক পাঠক ও দর্শনার্থী আসেন।

ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আমাদের স্বাধিকার সংগ্রাম বেগবান হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল।

হাতে হাতে বুনোফুল নিয়ে প্রভাতফেরি শেষে নিজেদের বানানো ও আলপনায় রাঙানো শহীদ মিনারে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ, কবিতা আবৃত্তি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করেছে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত বাবুডাইং আলোর পাঠশালা।

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ৭৩ বছর আগে যে প্রভাতফেরির প্রচলন হয়েছিল, তার প্রতীকী রূপের দেখা মিলল বার্লিনে রাজপথে।

শিশুদের হাতে ফুলের ঝুড়ি। হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো তাদের ভাষা আন্দোলনের গল্প শোনাতে শোনাতে হেঁটে যাচ্ছেন রাজশাহীর কৃষক মনিরুজ্জামান।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মাহেন্দ্রক্ষণে অস্ট্রেলিয়া পুলিশের একটি বিশেষ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের আবেগাপ্লুত করেছে।

কানাডার প্রবাসে সেই শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ অটুট রাখার এই প্রয়াসের মাধ্যমে গ্লোবাল মাদার ল্যাংগুয়েজ লাভার্স সোসাইটির এই প্রত্যয় ও আয়োজন কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়।