কেন টয়া-শাওন ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবার্ষিকী উদ্যাপন করতে পারেন না
দেশীয় শাড়ি ও সাজপোশাকেই ভালোবাসা দিবস ও ফাল্গুন উদ্যাপন করবেন টয়া–শাওন দম্পতি। ফেব্রুয়ারি মাস এই দম্পতির জীবনে আরও একটি কারণে বিশেষ।
দেশীয় শাড়ি ও সাজপোশাকেই ভালোবাসা দিবস ও ফাল্গুন উদ্যাপন করবেন টয়া–শাওন দম্পতি। ফেব্রুয়ারি মাস এই দম্পতির জীবনে আরও একটি কারণে বিশেষ।

ওরা দুজনই খুব হাসছে। রোগীর রুম থেকে বের হয়ে দেখি, অপূর্ব কিছু ফুল সাজানো। ভালোবাসার রঙে রাঙানো। ভালোবাসা, যার আর কোনো নাম নেই।

এক বোকা বাবার গল্প, যাঁর সম্পদ কম ছিল,কিন্তু চিত্তে ছিল অফুরন্ত ভালোবাসা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় বাবার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার পথে সারাক্ষণ ইংরেজি, অঙ্ক শেখাতে শেখাতে নিয়ে যেতেন।

এই নীরব সাধনাতেই পেরোল দিন। দোরগোড়ায় হাজির হলো ফাইনাল সেমিস্টার। দিনদুনিয়া এক করে বইয়ের পাতায় ডুবে আছি, এমন এক রাতে ফোন এল অপরিচিত নম্বর থেকে।

নীল একটা শাড়ি পরেছে ঝুমু! নীল অপ্সরাদের দিকে বেশিক্ষণ তাকানো যায় না! আমি চোখ নামিয়ে নিলাম।

কিন্তু আমার জন্য যেসব পাত্র আনা হতে থাকল, তাদের আর সব ঠিক থাকলেও চোখ ঠিক নেই। হয় পিঁপড়ের মতো পিনিপিনি, নয়তো মরা মাছের মতো ঠান্ডা চোখ।

আমাকে কিন্তু তেমন অজুহাত খুঁজতে হলো না। আমার স্বভাবের কারণেই কি না, জানি না, আমার সঙ্গে একদিন কথা বলতে এগিয়ে এল দীপু।

২০২৪ সালের জুনে আজমান নাসিরের সঙ্গে তাঁর বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন। ৯ টাকা দেনমোহরের সেই বিয়ের মাধ্যমে চমক সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন।

বাবাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার গল্প নিয়ে এই নিবন্ধ।

ফারজানা আহমেদ লিসা তাঁর বাবাকে স্মরণ করেছেন। বাবা দিবসে তিনি লেখেন, ছোটবেলায় বাবার হার্ট অ্যাটাকের পর মা চাকরি নিলেও আব্বুই তাঁদের বড় করেছেন।

দারিদ্র্য ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তাঁর মা শিক্ষার ক্ষমতায় বিশ্বাস করতেন। তিনি ৯টি সন্তানকে অমানবিক পরিশ্রম ও ভালোবাসায় বড় করেছেন এবং তাঁদের মধ্যে স্বাধীনতা ও স্বপ্নের বীজ বপন করেছেন। সুইডেনে বসবাসকারী রহমান মৃধার লেখায় মায়ের স্মৃতি জীবন্ত হয়ে উঠেছে।