
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি পণ্য কেনার শর্তেই কি ভারতের সঙ্গে চুক্তি
ভারত আগামী পাঁচ বছরে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন (১০ হাজার কোটি) মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ভারত আগামী পাঁচ বছরে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন (১০ হাজার কোটি) মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গয়াল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের যে বাণিজ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে, সেখানে সুতা আমদানিতে সুবিধাসংক্রান্ত একটি ধারা থাকবে।

বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের ভারতের সঙ্গে দলটির চুক্তি বিষয়ক বক্তব্যকে 'রাজনৈতিক অপপ্রচার' ও 'ভিত্তিহীন' বলে আখ্যায়িত করেছে।

তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির প্রতিশ্রুতি কে না দিয়েছেন। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ তাঁদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব—সবাই তিস্তার পানিচুক্তি হবে মর্মে আশ্বস্ত করেছেন।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের পর থেকে স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা প্রক্রিয়া ভারত সক্রিয় করছে। ভারত কোনো দলের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সমর্থন করেনি, সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে। শেখ হাসিনার দিল্লি অবস্থান এই সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হওয়া বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকদের দ্রুত ফেরানোর বার্তা দিয়ে গেছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।

প্রতিবছর ১৬ মে এলে একটি নাম অবধারিতভাবে সামনে আসে—ফারাক্কা। এটি শুধু একটি বাঁধের নাম নয়, এটি বাংলাদেশের নদী, কৃষি, অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির দীর্ঘস্থায়ী সংকটের প্রতীক। এই দিনটিতে কিছু আলোচনা হয়, কিছু স্মৃতিচারণা হয়, তারপর বিষয়টি আবার আড়ালে চলে যায়। অথচ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মরণাপন্ন নদীগুলো, সুন্দরবনের ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা, কৃষির ক্ষয়ক্ষতি—সবকিছুর সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে ফারাক্কার সম্পর্ক জড়িয়ে আছে।

খনিজ সম্পদ ও বিরল খনিজ সরবরাহ নিয়ে ঐতিহাসিক চুক্তি সই করেছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্পের কঠোর হুমকি সত্ত্বেও ফিলিপাইন, ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার দেশগুলো ইরানের সঙ্গে চুক্তি করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। উপসাগরীয় তেলের ওপর নির্ভরশীল এ দেশগুলো কূটনীতির মাধ্যমে পথ খুঁজে নিচ্ছে। তবে চুক্তিগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

১৯৯৬ সালের গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এ বছরের ১২ ডিসেম্বরে। এর মধ্যে চুক্তিটি নবায়ন না হলে বা নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত না হলে এই তারিখের পর থেকে ভারত কর্তৃক ইচ্ছেমতো গঙ্গার পানি প্রত্যাহারে কোনো বাধা থাকবে না।

সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ও বিরল খনিজ নিয়ে হওয়া এই চুক্তি স্থিতিশীল সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ।

যুক্তরাষ্ট্র যে ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত বা শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন গতি আনবে।