
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সুকুক বন্ডে বিনিয়োগ করবে ১০ হাজার কোটি টাকা
সরকারের দেওয়া মূলধনের অর্থ বিনিয়োগ করে ভালো মুনাফা পেতে সরকারের বন্ডে বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

সরকারের দেওয়া মূলধনের অর্থ বিনিয়োগ করে ভালো মুনাফা পেতে সরকারের বন্ডে বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

এই আমানত স্কিমে মাসে ৩০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় করার সুযোগ রয়েছে। ৩, ৫ ও ১০ বছর মেয়াদের এই স্কিমে সুদের হার ৯ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত।

আমানত ফিরে পাওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামে ‘রোডমার্চ’ কর্মসূচি পালন করেছেন একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকেরা। আজ বুধবার দুপুরে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশন-চট্টগ্রাম বিভাগ’-এর ব্যানারে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এর আগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তাঁরা।

গ্রাহক নির্দিষ্ট অঙ্কের প্রাথমিক অর্থ জমা দেওয়ার পাশাপাশি মাসিক কিস্তি দিয়ে মেয়াদ শেষে কোটিপতি হতে পারেন। আবার শুধু মাসিক কিস্তি দিয়ে মেয়াদ শেষে কোটিপতি হওয়া যায়।

শুধু ব্যক্তিগত ও মেয়াদি আমানতের ক্ষেত্রে এই মুনাফা কার্যকর হবে। অন্য আমানতকারীরা মুনাফা পাবেন না।

এসবিএসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোখলেসুর রহমান বলেন, ব্যাংকে আমানতকারীদের টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। আজ বুধবার ব্যাংকের ১৩ বছর পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলনে গ্রাহক আস্থা, খেলাপি ঋণ ও লভ্যাংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এমডি মঈনুল কবীরও ব্যাংকের তারল্য ও ঋণ আদায়ের অগ্রগতি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে যেভাবে অপসারণ করা হয়েছে, তা নিয়ে চরম সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের সংকট ও অনিশ্চয়তা কাটাতে তিনি কী করেছেন বা কী করেননি অর্থাৎ তাঁর সাফল্য ও ব্যর্থতার বিষয়টি নিয়েও পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছে। অর্থনীতিবিদদের কাছে তিনি প্রশংসনীয় হলেও ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের কাছে তিনি সমালোচিত। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাংকের গ্রাহকদের বড় অভিযোগ, তাঁর কারণে তাঁরা ব্যাংক থেকে তাঁদের আমানত তুলতে পারছিলেন না। আহসান এইচ মনসুরই তাঁদের টাকা আটকে দিয়েছেন। বিষয়টি কেমন? আসুন দেখা যাক।

বড় কয়েকটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান হঠাৎ বড় অঙ্কের আমানত তুলে নেওয়ায় ব্যাংকটিতে জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে।

ছয় এনবিএফআইয়ে আটকে থাকা আমানত ফেরতে গভর্নরের হস্তক্ষেপ চান ভুক্তভোগীরা; সাত বছরেও টাকা না পেয়ে চিকিৎসা ব্যাহত, মানবিক সংকটের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ গত জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে এ ধরনের হিসাবে আমানত বেড়েছে ৩৬ শতাংশ।

আমানতকারীদের ২০২৪ ও ২০২৫—এই দুই বছরে মুনাফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে ১০ হাজার কোটি টাকার দায় কমে যাবে।