
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করুন
দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে যে বিনিয়োগে স্থবিরতা চলছে, তা এখন আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে যে বিনিয়োগে স্থবিরতা চলছে, তা এখন আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

ছয় দেশের কূটনীতিকরা মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করে সুযোগ-সুবিধায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তাঁরা নিজ নিজ দেশের বিনিয়োগকারীদের এই অভিজ্ঞতা জানাবেন বলে জানান। এমজিআই’র তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকের কাছে দ্বিতীয় নাগরিকত্বের প্রধান আকর্ষণ বিদেশে চলে যাওয়া নয়; বরং অনিশ্চিত সময়ে বিকল্প সুযোগ তৈরি করে রাখা।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি ছিল।

সভায় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ী ও মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে না আনা গেলে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়বে না।

শেয়ারবাজারে ঝুঁকির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রয়েছে ৫৮তম স্থানে। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও পাকিস্তান।

আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সতর্কতামূলক পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে গ্রামীণফোন। তাতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির আয় কমতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, এই প্রণোদনার ফলে বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও দেশে বিনিয়োগ করবেন। এর বাইরেও মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হবেন।

আজ বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত ‘মেধাসম্পদ অধিকার কাঠামোর উন্নয়ন: ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এ কথা বলেন।

আর্থিক স্বাধীনতা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করে। এই চিন্তায় ভ্রান্তি থাকতে পারে। কিন্তু বিচার বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দকে রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশলগত বিনিয়োগ(স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টমেন্ট) বিবেচনা করা হয়, এটি অভ্রান্ত সত্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের ফলে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থানমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।