
ফার্নেস তেলের দাম লিটারে কমল ১৬ টাকা
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ফার্নেস তেলের দাম লিটারে কমিয়ে ৭০ টাকা ১০ পয়সা নির্ধারণ করেছে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ফার্নেস তেলের দাম লিটারে কমিয়ে ৭০ টাকা ১০ পয়সা নির্ধারণ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি খরচ বেড়েছে, সরকার পাইকারি-খুচরা বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। অর্থমন্ত্রী আহ্বায়ক, কমিটি মূল্যহারের প্রস্তাব দেবে। ক্যাব উপদেষ্টা লুটপাটের অভিযোগ তুলে দামবৃদ্ধির বিরোধিতা করেছেন।

জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছে সরকার।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জন্য নতুন কৌশল নিয়েছে। আবাসিক গ্রাহকদের বিলের ধাপ বদলে আয় বাড়ানোর পাশাপাশি বছরে দুবার দাম সমন্বয় চায় সংস্থাটি। এতে কম দামে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। ডলারের দাম বেড়েছে। এক বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৮ শতাংশ।

আবাসিকে স্লাব (ধাপ) পরিবর্তন করে গ্রাহকদের কাছ থেকে ২ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা বাড়তি তুলতে চায় পিডিবি।

নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে না

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও লালন আশ্রমে হামলার প্রতিবাদে ৭ জুন গণপ্রতিবাদের ডাক দিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।

গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব আমলে নিয়েছে বিইআরসি। পাইকারির সঙ্গে সমন্বয় করে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোরও প্রস্তাব করেছে পিডিবি।

বিদ্যুতের নতুন দাম প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন ইস্পাত ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিএসএমএর নেতারা।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, দেশে জ্বালানিনিরাপত্তা নিয়ে কোনো সরকার চিন্তা করেনি। বিগত সরকারগুলো বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে বয়ানের রাজনীতি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় বিএনপি সরকার কাজ করছে।

নির্বাচনের পরপর বর্তমান সরকার আগামী অন্তত দুই বছর বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর কথা বলেছিল।