
লোডশেডিং সীমিত রাখতে গত বছরের মতোই ব্যবস্থা: বিদ্যুৎ উপদেষ্টা
লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা।

লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা।

গতকাল বুধবার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১৭,২০০ মেগাওয়াটের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিইপপাএ) আজ বৃহস্পতিবার এই বক্তব্য দিয়েছে।

সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানির মুনাফা ভাগাভাগি বন্ধে নির্দেশনা জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৭টায় দোকান, বিপণিবিতান বন্ধ এবং বিলবোর্ডের আলো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।

জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম। বরাবরের মতো লোডশেডিংয়ের প্রায় পুরোটাই হচ্ছে গ্রামে।

এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো সোলার প্যানেল নেই, নেই কোনো বিশাল উইন্ড টারবাইন। জীবাশ্ম জ্বালানির তো কোনো নামগন্ধই নেই।

মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশে এখন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুতের ঘাটতি নেই।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিগুলো সংশোধন করা দরকার।