
মাঠ গুছিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে চায় বিএনপি
স্থানীয় সরকারগুলো আপাতত রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগ করে চালাবে বিএনপি সরকার।

স্থানীয় সরকারগুলো আপাতত রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগ করে চালাবে বিএনপি সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদ থেকে আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে দিয়ে বিএনপি সরকার আর্থিক খাতে লুটপাটের পথ উন্মুক্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

পুলিশের ১১ ডিআইজি ও ২ অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর– এটা লিংক করবেন আর এটা থেকে ছবি দেবেন

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকে মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আন্তরিকতা ও সাদামাটা চালচলন দৃষ্টিগ্রাহ্য হলেও সেটির প্রতিফলন এখনো পুরো সরকার, প্রশাসন ও মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান হয়নি।

শুধু প্রকল্পের নিচে নাম সই করার জন্য নয়; বরং নীতিনির্ধারণে প্রকৌশলীদের নিয়ে আসতে হবে। সরকার মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ চাচ্ছে; কিন্তু এখানেই আবার কোটা দিয়ে প্রকৌশলী খাতকে দুর্বল করে রাখা হয়েছে। ২০০৯ সালে গঠিত প্রকৌশল সংস্কার কমিটির প্রতিবেদন বাস্তবায়িত হলে অন্তত ১৫টি সুপারিশ বাস্তবায়িত হতে পারত। যার মধ্যে প্রকল্প পরিচালনায় প্রকৌশলীদের বাধ্যতামূলক নিয়োগ অন্যতম। বিগত সরকার একটি ‘প্রকৌশল সংস্কার কমিটি’ করলেও রিপোর্ট প্রকাশ না করেই ঝুলিয়ে রেখে চলে গেছে।

স্থানীয় সরকারে প্রশাসক, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গভর্নর নিয়োগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন—তিন ইস্যুতে সরকারের সমালোচনা করেছে জামায়াত।

বিএনপি সরকার এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিয়েছে, যখন বাংলাদেশের সমাজে একধরনের ক্লান্তি জমে ছিল। মানুষ শুধু সরকার পরিবর্তন চায়নি, তারা স্বাভাবিকতা চেয়েছিল। রাস্তায় নিরাপত্তা, প্রশাসনে সিদ্ধান্ত, বাজারে স্থিরতা, আদালতে আস্থা, হাসপাতালে সেবা এবং রাজনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তারেক রহমান নির্বাচনের পর তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব নাকচ করেছেন।

‘বিশেষ পরিস্থিতি’ বা ‘জনস্বার্থে’ স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বরখাস্তের সুযোগ রেখে দিচ্ছে বিএনপি সরকার।

সরকার বুয়েটসহ ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরোনো উপাচার্যদের অব্যাহতি দিয়ে নতুন নিযোগ দিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আজ প্রজ্ঞাপনায় বিস্তারিত জানিয়েছে। সকল নিযুক্তির মেয়াদ চার বছর।

দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএনপি সরকারের তিন মাস পেরিয়েছে। সরকারের প্রথম ১০০ দিনকে মধুচন্দ্রিমা সময় হিসেবে ধরা হয়।

বর্তমান সরকারের আগামী বাজেট ব্যবসা, বিনিয়োগ ও জনবান্ধব হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।