
প্রথম নির্দলীয় সরকার কেমন নির্বাচন দিয়েছিল
প্রথম নির্দলীয় সরকার কেমন নির্বাচন দিয়েছিল

প্রথম নির্দলীয় সরকার কেমন নির্বাচন দিয়েছিল

পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য এগুলো।

বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য! ‘এত কথা বলার দরকার কী’—এই বাক্যটিই আজও এ দেশের রাজনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাবক। কারও হয়তো প্রশ্ন করতে মন চাইছে, কিন্তু সব প্রশ্ন কি করতে পারছে?

বাংলাদেশের সমাজে যখন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও দর্শনচর্চায় খরা চলছে, তখন ফরাসি বিপ্লবের পূর্বক্ষণে জনগণের প্রস্তুতির পর্বটি খেয়াল করা জরুরি।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইতিপূর্বে যারা সরকার গঠন করেছে কিংবা সরকারের শরিক হয়েছে, তারা কেউ স্বৈরাচারী কেউ–বা ফ্যাসিবাদীর অভিধা অর্জন করেছে। সে বাবদে বলা যায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী-আনুগত্যপ্রত্যাশী শাসক তৈরির উর্বর ক্ষেত্র।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বংশানুক্রমিক নেপোটিজম এখন বিসিবিতেও প্রবেশ করেছে। গত ৭ এপ্রিল গঠিত অ্যাডহক কমিটিতে রাজনৈতিক নেতাদের সন্তান-স্ত্রীদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা। লেখক বিসিবির এই গাদাগাদি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বাংলাদেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে নিয়মিতভাবে যেসব ঘটনায় বহু মানুষ আহত-নিহত হচ্ছেন, সেসব ঘটনা স্রেফ কিছু ব্যক্তির খেয়ালখুশি বা বেপরোয়া আচরণের কারণে ঘটছে এমন নয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শাসনের বয়ানের পুনরাবৃত্তি লক্ষণীয়, যেখানে স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা প্রাধান্য পায়। জুলাইয়ের গণ–অভ্যুত্থানের পর নতুন সরকারের সামনে পুরোনো চ্যালেঞ্জ ফিরে এসেছে। এই বয়ান কতটা টেকসই হবে, তা গণতান্ত্রিক পথ নির্ধারণ করবে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় সবচেয়ে বেশি ধাক্কা দেওয়া প্রশ্নটি হলো—যে নারীরা রাস্তায়, আন্দোলনে, মানববন্ধনে, সামাজিক সংগঠনে সামনে দাঁড়ান, তাঁদের সংসদে দেখা যায় এত কম কেন?

বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট যে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না।

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাঙ্গনে ছাত্র ও শিক্ষকরাজনীতির গুরুত্ব যেন পাঠ্যপুস্তকের গুরুত্বের চেয়ে অনেকটাই বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা শুধু রাষ্ট্র কী করছে, তার ওপর নির্ভর করবে না। নির্ভর করবে রাষ্ট্র কতটা সত্যনিষ্ঠ, কতটা বিচক্ষণ এবং কতটা দায়িত্বশীলভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারছে, তার ওপরও।