
বাংলাদেশের বইয়ের অজানা ইতিহাস
বই নিয়ে যে কত কিছু জানার আছে, তা সবার কাছে সহজবোধ্য করে তুলে ধরার কাজটি সম্ভবত বাংলাদেশে এভাবে আগে কেউ করেননি।

বই নিয়ে যে কত কিছু জানার আছে, তা সবার কাছে সহজবোধ্য করে তুলে ধরার কাজটি সম্ভবত বাংলাদেশে এভাবে আগে কেউ করেননি।

রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) মুক্তকণ্ঠ সম্পাদক মতিউর রহমানের বই ‘ভালোবাসায় বাড়ানো হাত’ নিয়ে একটি বিশেষ রিভিউ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

মহান ইচক দুয়েন্দে টিয়াদুরে সৃষ্টিজগতের এমন এক প্রবণতার বিমূর্ত ও মূর্তের মিশ্র চিত্র গড়েছেন, যা মানুষের কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্ববাদকে চ্যালেঞ্জ করে। মানুষ কেবল অপরাপর প্রাণ-প্রকৃতি হন্তারকই হয়ে ওঠেনি, এমনকি স্বজাতিকেন্দ্রিকতাও বজায় রাখতে পারেনি, লিপ্ত হয়েছে পরস্পরবিরুদ্ধ চিন্তা ও কার্যক্রমের অর্থহীন লড়াইয়ে, যা সমস্ত ভিন্ন ভিন্ন প্রাণসত্তার বৃহত্তর সম্পর্কজাল বিক্ষত ও ছিন্ন করে।

কবিতার ডাকে আল মাহমুদের ভারত, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স যাত্রার অভিজ্ঞতা সংকলিত ‘তিন শহর তিন আকাশ’ গ্রন্থে। তাঁর সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণে উন্মোচিত হয়েছে সেই দেশগুলোর সাংস্কৃতিক-সামাজিক চিত্র। নতুন বিন্যাসে পাঠককে মোহিত করবে এই কাব্যিক ভ্রমণকাহিনি।

বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান পরিচয়বাহী উৎসব বাংলা নববর্ষ। এটি কেবল উৎসব নয়, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ও বটে। সর্বোপরি বাংলা নববর্ষ আমাদের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সামষ্টিক জীবনের প্রতীক।

রুমিন ফারহানার ‘সংসদের দিনগুলি’ বইয়ে একাদশ সংসদের অভ্যন্তরীণ জগৎ উন্মোচিত হয়েছে। বিএনপির একমাত্র সংরক্ষিত নারী এমপির অভিজ্ঞতা থেকে সংসদের কার্যপ্রণালি, বৈষম্য ও সমালোচনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। নতুন সংসদ সদস্য ও ক্ষমতাসীনদের জন্য এটি শিক্ষণীয় ও আত্মসমালোচনার আয়না।

প্রাচীন ভারতের সাহিত্য ও বেদে গার্গী, মৈত্রেয়ী প্রমুখ বিদুষী নারীর উল্লেখ পাওয়া গেলেও সাধারণ নারীর জীবন ক্রমশই সংকুচিত হতে থাকে।

নাট্যকার হিসেবে মুনীর চৌধুরী দৃশ্যত উদার মানবতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু তাঁর শিল্পচেতনার ভেতরে ফল্গুধারার মতো বয়ে চলে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ।

কিছু সত্য ঘটনা উপজীব্য করে, সত্য ও কাল্পনিক জগতের ভিয়েনে এই নস্টালজিক স্মৃতির শহরে কবিদের জীবনের গল্প লেখা হয়েছে সম্রাট ও প্রতিদ্বন্দ্বীগণ উপন্যাসে।

বইটা খুলতেই প্রথম পাতায় যেন একটা নরম, চুপচাপ বৃষ্টির ছোঁয়া লাগে। অলকানন্দা, যাকে সবাই অলকা বলে ডাকে। একজন অভিনেত্রী, কলেজজীবন থেকে শুরু করে সিনেমার জগতে তার যাত্রা।

গ্রন্থটির ব্যাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। যে সময়টিতে রক্তস্নাত নবীন রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। যদিও একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে এই সময় নিয়ে লেখকের রয়েছে গভীর আক্ষেপ।

পারভেজ হোসেনের সুবর্ণপুরাণ একটি ইতিহাস–আশ্রিত উপন্যাস। এই উপন্যাসের সময় ১৫৯৯ থেকে ১৬১০। আসলে এই সময়ের পুরোটাও নয়। উপন্যাসের উল্লেখ-ইশারা দেখে মনে হয়, ১৬১০ সালের আগের বছর কয়েক এই উপন্যাসের সময়। এই অল্প সময় পরিসরে পারভেজ হোসেন একটা উপন্যাস জমিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি ‘মহিমামণ্ডিত ইতিহাস’ ও ‘ঐতিহাসিক চরিত্রের’ সঙ্গে নিজের উপন্যাসকে যুক্ত করে ফাঁপা গৌরবের অংশীদার হতে চাননি।