
ফ্যামিলি কার্ড: যে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিত
নতুন সরকারের দায়িত্ব নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।

নতুন সরকারের দায়িত্ব নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ ও প্রান্তিক পরিবারের অর্থনৈতিক দায়িত্ব সাধারণত পুরুষের হাতে ন্যস্ত থাকে।

বাংলাদেশ গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি।

চট্টগ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু।

ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পকে সরকারের দৃষ্টান্তমূলক ও অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৈঠকে প্রকল্পের ত্রুটি শনাক্ত করে দ্রুত সংশোধনের আশ্বাস দেন তিনি।

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের মতো কিছু নতুন কর্মসূচি যুক্ত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত আজ গভীর সংকট অতিক্রম করছে। একদিকে চিকিৎসা ব্যয় ক্রমাগত বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো কাঙ্ক্ষিত মানের সেবা নিশ্চিত করতে পারছে না।

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা কীভাবে ব্যয় হচ্ছে এবং তা উপকারভোগীদের জীবনমানে কী প্রভাব ফেলছে, তা মূল্যায়ন করবে সরকার।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সামাজিক নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ৪১ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বয়স্ক ভাতা, কৃষক কার্ড, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আওতা ও ভাতা বাড়ানো হচ্ছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, খাল খনন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান শহীদ-আহতদের জন্যও নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।

৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের মধ্যে জরিপ চালিয়ে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

প্রতিবছর মার্চ মাসে কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় ১৮টি কর্মসূচির কার্যক্রম মূল্যায়ন করবে এবং পরবর্তী বছরের বাজেট নির্ধারণ করবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের কাজে বাজেটের প্রতিটি পয়সা ব্যয় হচ্ছে কি না, তার ওপর নজর রাখবে।