
যুদ্ধের ছায়ায় ইতালির টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা
১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে যুদ্ধের ছায়া পড়ল ফুটবলে। ফ্যাসিবাদী ইতালি টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ফ্রান্সে। রোমাঞ্চকর গল্প, রহস্যজনক মৃত্যু ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মৃতি ফিরে দেখুন।

১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে যুদ্ধের ছায়া পড়ল ফুটবলে। ফ্যাসিবাদী ইতালি টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ফ্রান্সে। রোমাঞ্চকর গল্প, রহস্যজনক মৃত্যু ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মৃতি ফিরে দেখুন।

কাতার বিশ্বকাপ স্মরণীয় হয়ে আছে একের পর এক চমকের জন্যও। তবে সবচেয়ে বড় ঘটনা লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ জয়।

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই আসরেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতেছিলেন এমন একজন, যাঁর দল প্রথম তিনেই থাকতে পারেনি।

ফাইনালে জিনেদিন জিদান ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জির করা অপমান সহ্য করতে না পেরে মাথা দিয়ে একটি ঢুস দিয়েছিলেন। সেটি ছিল ২০০৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।

নতুন শতাব্দীর প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি ফুটবল ইতিহাসের দুই পরাশক্তি—ব্রাজিল ও জার্মানি। ব্রাজিল তখন চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, জার্মানি তিনবারের।

বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।

যে দল কখনো প্রথম বিভাগে খেলতে পারেনি, সে দলটিই ঘটনাচক্রে হয়ে উঠল বিশ্বকাপের এক মজার অধ্যায়ের অংশ।

বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ। যে গল্পের কোনোটিতে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক।

বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।

মজা করে বলতেন, ‘আমার গোলগুলো আসলে একটি জুতার ভেতরে দুটি মনের মিলনে অনুপ্রাণিত হয়েছিল।’

১৯৫৪ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরিকে হারিয়ে জার্মানির চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প, যা ইতিহাসে ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ১৯৩৮ এবং পরে ১৯৫০ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন এরিক নিলসন ও ফ্রেডি বিকেল। পরপর মাত্র দুটি বিশ্বকাপ খেলেও তাঁরা ইতিহাসে অমর। এছাড়া দুই কোচেরও অনুরূপ বিরল কীর্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।