
ম্যারাডোনার কান্না, এসকোবার-ট্র্যাজেডি, বাজ্জোর শূন্য দৃষ্টি এবং ব্রাজিল
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।

ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।

ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।

১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে মারাকানায় দুই লাখ দর্শকের নীরবতায় ব্রাজিল কাঁদে, উরুগুয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। ঐতিহাসিক ম্যাচের রোমাঞ্চকর কাহিনি, বারবোসার অভিশাপ থেকে নতুন জার্সির জন্ম। ফিরে দেখা বিশ্বকাপের স্মৃতি।

আজ শর্মিলী আহমেদের ৭৯তম জন্মদিন। ক্যামেরার সামনে অভিনেত্রী, বাস্তবে মমতাময়ী মা—তাঁর ছয় দশকের অভিনয়জীবন ও পরিবারের প্রতি ভালোবাসা আজও ভক্তদের হৃদয় জয় করে। ২০২২ সালের ৮ জুলাই ক্যানসারে মারা যান, কিন্তু স্মৃতি অমলিন।

১৯৮২ সালে স্পেনের মাঠে যা ঘটল, তা ফুটবল ইতিহাসে আগে কখনো দেখেনি কেউ। সেই প্রথম দেখা গেল, দুই দেশ একই সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে লড়ছে, আবার বিশ্বকাপের মঞ্চেও খেলছে!

১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে যুদ্ধের ছায়া পড়ল ফুটবলে। ফ্যাসিবাদী ইতালি টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ফ্রান্সে। রোমাঞ্চকর গল্প, রহস্যজনক মৃত্যু ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মৃতি ফিরে দেখুন।

কাতার বিশ্বকাপ স্মরণীয় হয়ে আছে একের পর এক চমকের জন্যও। তবে সবচেয়ে বড় ঘটনা লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ জয়।

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই আসরেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতেছিলেন এমন একজন, যাঁর দল প্রথম তিনেই থাকতে পারেনি।

ফাইনালে জিনেদিন জিদান ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জির করা অপমান সহ্য করতে না পেরে মাথা দিয়ে একটি ঢুস দিয়েছিলেন। সেটি ছিল ২০০৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।

বিশ্বকাপ গল্পে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক। বিশ্বকাপের তেমন একটি গল্প নিয়ে এ আয়োজন।

বিশ্বকাপ খেলতে এসে নেকলেস চুরির অভিযোগ—ঘটনাটিতে অনেকেরই ১৯৭০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ববি মুরের ‘ব্রেসলেট কেসের’ কথা মনে পড়ে।

নতুন শতাব্দীর প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি ফুটবল ইতিহাসের দুই পরাশক্তি—ব্রাজিল ও জার্মানি। ব্রাজিল তখন চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, জার্মানি তিনবারের।