
তীব্র গরমে পোষা প্রাণীদের যত্নের সহজ উপায়
দেশজুড়ে তাপপ্রবাহে পোষা প্রাণীরাও কষ্ট পাচ্ছে। হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি, ঠান্ডা পরিবেশ, সঠিক খাদ্য ও লক্ষণ দেখলে চিকিৎসা নেওয়ার উপায় জানুন। ড. এ কে এম হুমায়ুন কবিরের পরামর্শ।

দেশজুড়ে তাপপ্রবাহে পোষা প্রাণীরাও কষ্ট পাচ্ছে। হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি, ঠান্ডা পরিবেশ, সঠিক খাদ্য ও লক্ষণ দেখলে চিকিৎসা নেওয়ার উপায় জানুন। ড. এ কে এম হুমায়ুন কবিরের পরামর্শ।

ত্রিশের বেশি শিশু ছিল সেখানে। তাদের যে কারও বিপদ হতে পারত চোখের নিমেষেই। বীরের রূপে এগিয়ে এসে শিশুদের প্রাণ বাঁচাল স্থানীয় এক পথকুকুর।

এমন দৃশ্য হয়তো এখনো গ্রামবাংলার কোথাও দেখা যায়, কিন্তু দ্রুত বদলে যাওয়া ভূদৃশ্যের সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রমেই বিরল হয়ে উঠছে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যটকদের আনাগোনা বাড়লে এবং ছুটির মৌসুমে জিব্রাল্টারের বানরদের মাটি খাওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়।

প্রাণীর মালিকের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাকে খাবার দেওয়া, চারণভূমিতে নেওয়া এবং পানি পান করানো। কারণ প্রতিটি প্রাণীর জীবনের পবিত্রতা ও মূল্য আছে।

নবীজির ইন্তেকালের পর মদিনাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। সাহাবিরা ধীরে ধীরে সেই শোক কাটিয়ে উঠলেও ইয়াফুরের শোক বুঝি কাটছিল না।

ময়নাতদন্ত ও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুকুরটি জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত ছিল। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক জানান, কুকুরটিকে ইচ্ছাকৃত কুমিরের মুখে দেওয়ার কোনো প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি।

ডব্লিউসিএস বলছে, এই মাছের পাঁচটি প্রজাতি বিশ্বে টিকে আছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে পাওয়া যায় তিন প্রজাতি। তিন প্রজাতির সবগুলোই হুমকির মুখে।

ইসলামি সভ্যতা ও ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে মুসলিম বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদেরা প্রাণীর প্রতিটি প্রজাতি ও প্রকারভেদ নিয়ে কতটা আগ্রহী এবং সচেতন ছিলেন।

সাধারণ অর্থে আলফা মেল বলতে এমন একজনকে বোঝানো হয়, যিনি অন্যদের তুলনায় অত্যন্ত শক্তিশালী, আক্রমণাত্মক, কঠোর এবং তাঁর মধ্যে আধিপত্যবাদী প্রবণতা আছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এই ভিডিও ও ছবি দেখে হৃদয় কেঁদেছে প্রাণিপ্রেমীদের। কারও ধারণা, কুকুরটাকে ইচ্ছাকৃতভাবে কুমিরের সামনে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রথমবার প্রাণীর জন্য টিকা কার্ড চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আইসিডিডিআরবি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সভায় এ নির্দেশিকা উপস্থাপিত হয়েছে। এতে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমবে এবং অর্থনীতি সুরক্ষিত হবে।