
বনানীতে জিএলজি অ্যাসেটসের নতুন প্রকল্প
রাজধানীর বনানীর ই ব্লকের ১৯/এ রোডের ১২১ নম্বর প্লটে জিএলজি অ্যাসেটস লিমিটেডের ৫৩তম প্রকল্পের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে।

রাজধানীর বনানীর ই ব্লকের ১৯/এ রোডের ১২১ নম্বর প্লটে জিএলজি অ্যাসেটস লিমিটেডের ৫৩তম প্রকল্পের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে।

সামান্য বৃষ্টি হলেই সিলেট নগরের অর্ধশতাধিক এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণেই এমনটি হয়েছে।

এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১২ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা। প্রকল্পের কাজ ২০৩১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি নতুন প্রকল্পের দরপত্র নিয়ে কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মধ্যে তর্কবিতর্ক ও হট্টগোল হয়েছে।

নতুন ভবন হলে ট্রাফিক চাপ কেমন হবে, সেটা নিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) দিয়ে গবেষণা করানোর কথা বলা হয় একনেক সভায়।

সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়নে গঠিত অ্যাডভাইজারি কমিটির প্রথম সভা আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

পরিবেশ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে সব সময় এ ধরনের বিপরীতমুখিতা তৈরি করে দেশের জনজীবন পর্যুদস্ত করে তোলা হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হুমকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

একনেকের প্রথম সভায় সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প (৬৪৯ কোটি টাকা ব্যয়) পাস হয়নি, আরও যাচাইয়ের জন্য রাখা হয়েছে। ১৭টি প্রকল্পের মধ্যে ৭টি অনুমোদিত হয়েছে। চলমান প্রকল্প পর্যালোচনায় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে কমিটি গঠিত হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এমআরটি লাইনসমূহ, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। খুব শিগগির টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ শুরু হবে। আর এই অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এভাবে ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গড়ে ওঠে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক চৈতন্যের বনিয়াদে। দেশ-কালের বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সে আয় করে নেয় তেজোদ্দীপ্ত উচ্চারণভঙ্গি। তৎসম শব্দ, স্বর ও ব্যঞ্জনের সুরেলা বিন্যাস আর সামষ্টিক জনতার কোরাসসম উচ্চারণে নিষ্পন্ন হয় তার নান্দনিক বিশিষ্টতা। উত্থিত জনতার লিপ্ত আবেশে গড়া যুগের সবল অভিব্যক্তি থেকে সে শুষে নেয় মুক্তির প্রকল্প। যুগসত্য থেকে ছেনে নেওয়া বলেই মুক্তির এ বার্তা এত তীব্র, কার্যকর আর সামঞ্জস্যপূর্ণ। শতবর্ষে এসে নিশ্চিন্তে বলা যায়, বাংলাভাষীরা আরও বহুকাল ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ নিত্য বর্তমান শিল্পকর্ম হিসেবে ব্যবহার ও ভোগ করতে থাকবে।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই প্রকল্প অনুমোদিত হয়।