
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ ও রাশিয়া
মস্কোতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া।

মস্কোতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া।

রূপপুরে কাজ করতে এসে গ্রামের মানুষদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে রাশিয়ানদের। এখন তাঁদের দেখলে বোঝাই যায় না দুই দেশ ও দুই ভাষার নাগরিক তাঁরা।

ডলারের হিসাবে প্রকল্পের খরচ বাড়েনি, টাকার হিসাবে খরচ বেড়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। ১০ বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ৪২ টাকা।

নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ২০২৩ সালে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট এবং পরের বছর দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়সূচি থেকে ইতিমধ্যে তিন বছরেরও বেশি পিছিয়ে গেছে। এই বিলম্বের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রাশিয়ার রোশাটমকে বাংলাদেশকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার অতিরিক্ত সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ২১টি ড্রেসিং টেবিল কেনা হয়েছে প্রতিটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, যা বাজারদরের ১৮ গুণ বেশি। সিএজির তদন্তে শুধু ড্রেসিং টেবিলে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম সত্ত্বেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সিএজির নিরীক্ষায় রূপপুরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনায় প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা অতিরিক্ত পরিশোধের তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি মো. গোলাম মাহবুব এবং সাধারণ সম্পাদক এ টি এম গোলাম কিবরিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ‘মাহবুব-কিবরিয়া’ পরিষদ প্রধান শক্তি অর্জন করে। আগামী দুই বছর তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম ডিজির সাক্ষাতে রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমি প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছি।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বালিশ কেনায় ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকার ক্ষতি। ৮৯ হাজার ৯০০ টাকা দরে ৬০টি বালিশ কেনা হয়েছে। প্রকল্পের ভবন নির্মাণে ২৯৫ কোটি টাকা লুট।

চীন যুক্তরাষ্ট্রের আগাম হামলার মোকাবিলায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির কাছে বৃহৎ সামরিক অবকাঠামো গড়ে তুলছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পারমাণবিক চুল্লি থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।