
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে ইরানের সামরিক মহড়া
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে গতকাল মঙ্গলবার সাময়িকভাবে ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে গতকাল মঙ্গলবার সাময়িকভাবে ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরানকে আলোচনায় বসতে চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প।

সম্প্রতি ট্রাম্প তেহরানকে আবারও সতর্ক করেছেন। বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা পারমাণবিক কর্মসূচি নতুন করে শুরু করা হলে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আল–জাজিরার সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যেকোনো মূল্যে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জিত হবে। ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে জোট পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

জাহেদ উর রহমান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র, গণমাধ্যম তথ্য, অর্থনৈতিক প্রকল্প ও নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

ট্রাম্প গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই চুক্তি আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।